লেখক: অচেনা কেউ
রাস্তার ধারে গলির মোরে মদন কাকার দোকানে বসে মনের দুঃখে সিগারেট টানছি।
আরে ভাইবেন না ছ্যাকা খাইছি।
তাহলে শোনেন কাহিনীটা,,,,,
সকাল সকাল কি আরামেই না ঘুমাইতে ছিলাম। কিন্তু আমার হিটলার মা আমার আরামের ঘুমটা ভেঙে দিলো।
প্রতিদিনের মতোই আজকেও এসে বলতেছে আজকে যদি বিয়েতে রাজি না হই তাহলে আজকে ভাত দিবে না। কিন্তু আমি ভাবছিলাম আগের দিনগুলোর মতো আজকেও পরে এমনিতেই দিবে। কিন্তু খাবার বসে বাধলো আরেক ঘটোনা,
আমি: আম্মু খাইতে দাও????
আম্মু: ভাত নাই।
আমি: সকালে তো রান্না করতে দেখলাম।(না দেখেই বলছি এমনি)
আম্মু: সেটা আমার জন্ন্য, তোর জনন্য না।
আমি:আমি আবার কি করলাম।
আম্মু: বিয়ে কর তাহলেই সব ঠিক হবে।
আমি: আম্মু আম্মু শুনো,
আম্মু: হুম বল?
আমি: আজকে ভাতটা খাইতে দাও। খেয়ে মাথাটা শান্তি করে তোমাকে বলব।
আম্মু: আজকে বলছি যে ভাত খাইতে দিব না তো দিবোই না। আর আজকের পরে দেখ তোরে এই বারিতেও থাকতে দিবো না।
কি আর করার রাগকরে বের হয়ে আসলাম। কিছুক্ষন পরে আবার গেলাম খাইতে। কিন্তু দরজা লক করা। আম্মুকে ডাক দিলাম।
আমি: আম্মু,
আম্মু: হুম বল(ভিতোর থেকে)
আমি: দরজা টা খোলো।
আম্মু:কেন?
আমি: ভিতোরে জাবো।খুধা লাগছে।
আম্মু: আজকে তোর আর ঘরে ঢোকাও নাই। আমারো বউ এর খুধা লাগছে। আগে আমার খুধা মিটানোর ব্যাবস্থা কর তার পরে। আমি তোর ব্যাবস্থা করবো।
কি আর করার ঘরথেকে বের হয়ে আসলাম।
আর তারপরে তো জানেনি।
(অনেক গল্প হলো এবার পরিচয়টা দেয়া যাক, আমি মেহেদী, গ্রামেই বসবাস করি,এন্টার ২য় বর্ষের ছাত্র আর না জানলেও চলবে। আসল গল্পে যাই)
অনেক খুধা লাগছে। টাকাও নিয়ে আসিনি। দোকান থেকে একটা রুটি আর একটা কলা খেলাম। তার পরেই ছিগারেট খাচ্ছি
,
ও আসল ঘটোনাটাইতো বললাম না। আমি কেন বিয়ে করতে রাজি না। আমার ইচ্ছা আমি প্রেম করে বিয়ে করব। কিন্তু ফাডা কপাল একটাও মেয়ে পাই না।
আর তার মাঝে আম্মু বিয়ে করার কথা বলছে। তাহলে কি করি আপনারাই বলেন। যাক সে সব কথা সোহেল কে ফোন দিলাম।
আমি: সোহেল দকানে আয়তো রে।
সোহেল: কেন কি হইছে।
আমি: আয় নারে ভাই।এসে শুনে না।
ওর আসার জন্ন্য আমি অপেক্ষা করছি।
অপেক্ষা করতে করতে সামনে দেখি একটা বোতল পরে আছে। মারলাম একটা লাথি।
হঠাত কারো একটা চিল্লানি শুনতে পেলাম।
তাকিয়ে দেখি একটা রাজকন্যা না রাজকন্যা বললেও ভুল হবে যেন একটা নীল পরী সামনে দারিয়ে রাগে ফুঁসছে। রাগে তাকে যেন আরো অনেক সুন্দর লাগছে।রাগে যে মেয়েদের এতো সুন্দর লাগে সেটা আমি জানতাম না। শুধু গল্পেই পড়েছি। কিন্তু আজকে সেটা নিজ চখে দেখলাম।
আমি হা করে তাকিয়ে আছি তার দিকে।
এসেই একটা
মেয়ে: ঠাসসসসসসসসসসস. রাস্তায় মানুষ চলাচল করে দেখতে পারেন না।
আমি: হা করে তাকিয়ে আছি।
মেয়ে: ওই মানুষ কি তোর চোখে পরে না।
আমি: পাগলের মতো করে একটা হাসি দিলাম।
মেয়ে: কেমন ইস্টুপিটদের মতো আবার হাসে। অভদ্র একটা। (বলেই চলে গেলো)
আমি তার চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে আছি।
সোহেল: হাহাহাহাহাহাহাহা
আমি: এমন ভাবে হাহাহা করে হাসার কি আছে?
- কি হলো ওইটা
-কই কিছু নাতো।
-মেয়েটা তোকে কি করলো
-আরে ছার ওসব কথা।এখন শোন
মেয়েটাকে আমার সেই লাগছে।
-মানে
-মানে হচ্ছে যে,মেয়েটাকে আমার চাই।
-ওহ।
-হুমমমম। আজকের মধ্যে মেয়েটার সব ডিটেলস আমাকে দিবি।
-আমি কি তোর চাকর নাকি।
-দোস্ত আমি তোর পায়ে পরি। এনে দে না?
-আজকে না এখনি দিচ্ছি।
-সত্যি বলছিস।
-হুমমমমম।
-তা হলে বল।
-মেয়েটার নাম মাহি। এন্টার ১ম বর্ষে পড়ে। আর প্রতিদিন***********
-সব কিছু শুনলাম। শুনে বারির দিকে যাচ্ছি।
.
বাড়ি গিয়ে আম্মুকে ডাক দিলাম।
আমি: আম্মু, দোরজা খোলো।
আম্মু: মুন্না আমার ঝাটাটা নিয়ে আয়তো।(মুন্না আমার ছোট ভাই)
আমি: আম্মু ঝাটার কি দরকার।
আম্মু: তোরে ঝাটা পেটা করবো।
- আমাকে আর ঝাটা পেটা করা লাগবে না। আমি বিয়ে করতে রাজি।
( বলতে যে দেরি,দরজা খুলতে সে দেরি না)
- সত্যি তুই রাজি।
- হুমমমমম আম্মু। কিন্তু একটা শর্তআছে।
- না আমি কোনো শর্তে রাজি না।
( অনেক চেস্টা করে আম্মু কে বুঝালাম আম্মুও ১০দিন সময় দিলো) এখন চিন্তা করতাছি ২ মাসেও আমি একটা মেয়েকে পটাইতে পারিনি সেখানে মাত্র১০ দিন. এ সব বাদ দিয়ে আগে পেটটাকে শান্তি করি।)
পেট ভরে খেলাম। এখন চিন্তা শুধু মেয়েটাকে
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠালাম। যেখান আমি ১০টার আগে ঘুম থেকে উঠিনা। সেখনে আজকে 6টার সময় ঘুম থেকে উঠালাম। উঠেই রাস্তার ওইখানে দারিয়ে আছি। সোহেল কে ফোন দিলাম
-hello সোহেল।
- হুমমমমম বল
- দোকানে আয়।
- কেন?
-আরে আয় না মামা।
- বলবিতো কি হইছে।
-মামা, মেয়েটা আসবে কখন?
-মামা তুইতো কাম সারাই ফেললি।কি মনে লাগছে নাকি।
-হুমমমমম। এ সব বাদদিয়ে তারাতারি আয়?
-দারা যাচ্ছি।
-আয়।
.
.
-সালা আস্তে তোর এতো সময় লাগে দেখতো কয়টা বাজে।
- কয়টা আবার কেবল ৮টা বাজে?
-সেই ২ঘন্টা ধরে বসে আছি। রাগতো মাথায় উঠে গেছে।
-আরে রাগ থামা। ওইযে মাহি আসছে।
-ও আসার জন্ন্য আজকে বেচে গেলি।
-আরে রাগ থামা চলে গেলো তো।
এই এই
পিছনে ধর লাম।
সোহেল: মামা সামনে যা
আমি: কেমনে যাব।
-আরে যা না
.
একটা ধাক্কা দিয়ে সামনে পাঠাই দিলো।
আমার হাত পা কাপ্তেছে।
আমি: হাই আমি, আমি, আমি
মাহি: কি আমি আমি করতাছেন?
-ওহ sorry আমি মেহেদী তোমার নাম কি?
-আমি মাহি। এখন side দেন আমি clg যাব।
-ওহ যাও।
,
কথা বলতে আমার কলিজা মনে হয় ছেদ হয়ে গেলো
-আরে মামা তোর এইটা কি হলো।কিছু যে বললি না
-আরে আমি আর আমার শরীরে মনে হয় ছিলাম না।
,
,
পরের দিন আবার গেলাম
-hi মাহি কেমন আছো?
- ভাল
-একটা কথা বলার ছিলো?
-হুমমমম যা বলার তারা তারি বলেন?
-আসসসসলে...........আআআআআমিমিমিমিমিমি.....(বলতে পারছি না)
- দেখি সরে যা। আমি যাব।
-দারাও বলছি।হুমমমমমমমমম
- মাহি I love u? আমি তোমাকে ভালোবাশি। তুমি কি আমার হবে(মনে মনে অনেক কিছু বলে বললাম)
- ঠাসসসসসসসসসসস
-তোর সাথে একদিন ভালো ব্যাবহার করছি আর এমন। আমার সামনে আর আসবি না?
বলেই চলে গেলো
-আমি আবুলের মুতো দারাই আছি। আর ভাবতাছি এইটা কি হলো।
,
-সব কিছু সোহেলকে গিয়ে বললাম।
সোহেল তো সেই লেভেলের হাসি দিচ্ছে
সোহেল: এইটা কি হলো।(হাসি দেখে পিছোনে একটা লাথি দিছি)
-কি আর হলো। যা হবার তাই হলো। কই আমায় বুদ্ধি দিবি তা না হাসতাছিস।
- মেয়েটাকে ছেরে দে।
-আরে থাপ্পর খাইছি। ছারছি না।
- তা হলে থাপ্পরি খেয়ে যা।
-সালা সর সামনে থেকে। না হলে আর একটা দিবো কিন্তু।সোহেল চলে গেলো।
আমিও বাড়ি আসলাম।
পরের দিন আবার গেলাম
গিয়ে
-মাহি i love u. তুমি কি আমার সাড়া জীবনের সংগীনি হবে। আমার পথ চলার সাথি হবে।
-ঠাসসসসসসসসসসসস
আজকের টা আর একটু জোরে মারছে।
মন খারাপ করে চলে আসলাম।
এই ভাবে প্রতি দিন যাই আর একটা করে মার খেয়ে আসি।
এই ভাবে ৯ দিন গেলো। সব বন্ধুরাই জানে। আমাকে দেখে হাসা হাসি শুরু করে দিছে।
আজকে সবাইকে বলে দিছি আজকে যদি আমার কথায় রাজি না হয় তবে ওর সামনে আর জাব না।
রাস্তার ধারে বসে আছি। মাহির আসার অপেক্ষায়।
ওইতো আসতেছে।
-মাহি। আজকেই আমার তোমার সাথে শেষ দেখা। আজকে যদি রাজি না হও তা হলে আমি আর জিবনেও তোমার সামনে আসব না।
(বলার সাথে সাথেই ঠাসসসসসসসসসসসসসসস)
-আর আসবে না মানে।
-মানে
- মানে আসবি না কেন। তুমি তো রাজি রাজি হও না তাই।
- কে বলছে আমি রাজি হইনি।
-তোমার ব্যাবহার দেখলেই বঝাজায়।
-আমি যদি ভালোই না বাসি তা হলে এই রাস্তা দিয়ে না গিয়ে অনন্য রাস্তা দিয়ে যেতাম। এখনি আমাকে প্রপোজ করবি। নাহলে আর আমার দেখা পাবি না।
-মাহি I love u?
-এইটা কনো প্রপোজ হলো নাকি। ভালো ভাবে বল
- হুওমমমমমমমম।বলছি তো আগে পুরটা শোনো।
-হুমমমমমমমমম বলো।
- মাহি তুমি কি আমার পথ চলার সাথি হবে। তুমি কি আমার একাকিত্ত পূর্ণ করবে, তুমি কি আমার ছোট্টো সোনা মনির আম্মু হবে। বলেই দারালাম।
আমাকে জরিয়ে ধরে বলল
- হ্যা রে পাগল আমি তোমার সব হব। আমিও তোমাকে ভালোবাসি।
- তা হলে এতো দিন থাপ্পর মারলে কেন।
- এখন কি করতে হবে এখন।
-একটা ইয়ে দাও।
- কি দিবো
- উম্মাম্মাম্মা দাও।
-সবাই দেখছে তো।
-ওই তোরা অই দিকে তাকা।
তার পর।, তার পর আর কি?
শুরু হলো love হিস্টোরি।
,
,
buy
দেখা হবে পরের কনো গল্পে



No comments:
Post a Comment