লেখক ** তানভির
,
,
বন্তী আমাকে অনেক ভালোবাসে,,এতে কোনো সন্দেহ নেই,,, আমিও অবন্তীকে অনেক বেশি ভালোবাসি,,যা কোনো ভাষায় বলা যায় না। আমার নিজের থেকে বেশি ভালোবেসি।অবন্তী একটু জেদি মেয়ে,,কিন্তু ওর মনটা অনেক ভালো। অবন্তীকে যেদিন প্রথম দেখছিলাম,,সেদিন থেকেই অবন্তীকে ভালোবেসে ফেলছি,,তার পর থেকেই অবন্তীর পিছনে পড়ে আছি,,যাই হোক বাসায় চলে আসলাম,,,তার পর আপু যা আনতে দিছিলো সেগুলো আপুর কাছে দিলাম,,
।
আপুঃ কি রে তোর ঠোঁট থেকে রক্ত বের হচ্ছে কেনো??
।
এই যা,,আমি সাথে সাথে মুখে হাত দিলাম,,দেখি সত্যি রক্ত,, পাঁজি মেয়ে কোথা*কার,,,ঠোঁট কামরে রক্ত বের করে দিছে।
।
আমিঃ ও কিছু না আপু,,,পরে গেছিলাম তখন হয়তো ঠোঁট কেটে গেছে[মিথ্যা বললাম,,]
আপুঃ ঠিক আছে,,এখানে বস,,আমি ডেসিং করে দিচ্ছি।
আমিঃ না,আপু এমনিই ঠিক হয়ে যাবে।
আপুঃ চুপ করে বসে থাকতে পারিস না। এতো কথা বলিস কেনো।
আমিঃ হু,,ঠিক আছে।
।
তার পর আপু আমাকে ডেসিং করে দিলো,।
।
আমিঃ বাহহ,আপু তুমি তো খুব সুন্দর করে করতে পারো।
।
তার পর আপুর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে রুমে আসলাম,,,দেখছেন কি পাঁজি মেয়ে একটু হলেই তো আপুর কাছে ধরা খেতাম,,,আহহ্ ঠোঁটের কি অবস্থা করসে,,দেখছেন নি,,,এখনো ব্যথা করছে,,দেখতে দেখতে আপুর বিয়ের দিন চলে আসলো,,কাল আপুর বিয়ে সারা দিন ব্যাস্ত ছিলাম,,,একটুও জিরাতে পারিনি,,,একমাএ আপুর বিয়ে আর আপুর বিয়েতে কিছু কমতি থাকবে এটা কি হতে পারে,,ছোট থেকে ছোট কাজ পযন্ত করছি।সব কিছু কমপ্লিট সারা বাড়ি লাইটের লাল-নিল আলোতে জলমল করছে,,,সব আত্মিয় সজনরাও চলে আচ্ছে।না আর পারছিনা,,,অনেক
কান্ত লাগছে,,,শরীরের সব শক্তি প্রায় শেষ,,,,ঘরে আসলাম তার পর শাওয়ান নিয়ে,,একটু ঘুনিয়ে নিলাম,,,
।
আপুঃ ভাই উঠ খাবার খাবি,,,আম্মু ডাকছে।
আমিঃ হু,,, তুমি যাও,,,আচ্ছি।
।
তার পর আমি খাবার জন্য গেলাম,,,খুব খিদেও লাগছিলো,,কাজের জন্য ভালো করে খেতেও পারিনি।তার পর আম্মু সবাইকে খাবার দিলো,,সবাই খাবার খাচ্ছে,,তাই আমিও খেয়ে নিলাম,,সকালে ঘুম থেকে উঠে ফজর নামাজ পরলাম,,,ভাই আপনারা আবার ভাইবেন না ঘরে পরছি,,,মসজিদেই নামাজ পরছি।করোনা ভাইরাসের ভয়ে কি বাড়িতে পরতে যাবো নাকি,,আমরা মুসলমানরা করোনাকে ভয় পাইনা,,ভয় পাই মহান আল্লাহ তায়ালাকে,,আপনারা কি বলেন,,,কমেন্ট করে জানাবেন?
সজা ঘরে চলে আসলাম,,রুমে ডোকার সাথেই কে জেনো দরজা আটকিয়ে দিলো,,পিছনে ফিরে দেখি অবন্তী,,,,,,
।
আমিঃ তুমি এখানে কেনো।
অবন্তীঃ আমার ঘর আমি আসবো না তো কে আসবে?।
আমিঃ তোমার ঘর মানে?
অবন্তীঃ হু,,,আমার স্বামীর ঘর মানে তো আমারি ঘর।
আমিঃ কে তোমার স্বামী?
অবন্তীঃ কোনো,,তুমিই তো আমার পানের স্বামী গো,,[আমার এক দম কাছে এসে বললো]
আমিঃ এই দেখো আমার কাছে আসবে না।[এটা বলার সাথেই জরিয়ে ধরলো]
অবন্তীঃ ১০০ বার আসবো,,তাতে তোমার কি??
আমিঃ প্লিজ ছেরে দাও কেউ দেখে ফেলবে?
অবন্তীঃ দেখলে দেখবে তাতে আমাদের কি আমি তো আমার স্বামীকে জরিয়ে ধরছি।আর দেখবে না দরজা বন্ধ করা।
আমিঃ তুমি,,আমাকে তুই থেকে তুমি করে বলছো কেনো বুঝলাম না।
অবন্তীঃ কারন তুমি আমার স্বামী আর স্বামীকে কেউ তুই করে বলে,,?
আমিঃ আমি তোমার স্বামী হতে যাবো কেনো? তোমার তো অন্য জায়গায় বিয়ে ঠিক হয়ছে??
অবন্তীঃ হিহিহি।
আমিঃ তুমি হাসসো কেনো?
অবন্তীঃ তুমি কি ভাবছো আমি কিছু জানতে পারবো না,,আমার কার সাথে বিয়ে?
আমিঃ কই নাতো,,,কার সাথে বিয়ে তোমার,,,[জেনে গেলো নাকি পাগলিটা]
অবন্তীঃ কার সাথে আবার তোমার সাথেই বিয়ে।
আমিঃ কি বলছো,,আমার সাথে বিয়ে মানে,?
।
[অবন্তী জানলো কি ভাবে,,,আমার আর অবন্তীর বিয়ে আপনারা বলেননি তো অবন্তীকে,,,আমার সাথে বিয়ে,,,আমার সাথে চিটিং করলে,,,এ্যাএ্যা,,আমি আপনাদের ছারবো না,,,,পাঠক এবং পাঠিকা গন,,,বলে দিলাম,,হু😭😭মনে মনে বললাম কথা গুলো না হলে তো অবন্তী শুনে নিতো ]
।
অবন্তীঃ হু,,,তোমার সাথেই তো আমার বিয়ে,,,তুমি খুব পঁচা।
আমিঃ কিকক,,আমি পঁচা হতে যাবো কেনো?
অবন্তীঃ পঁচা না হলে আমাকে কষ্ট দিতে পারতে তুমি,৷
আমিঃ মটেও আমি পঁচা না,,আর তোমাকে বলছে কে আমার সাথে তোমার বিয়ে?
অবন্তীঃ আপু,,বলছে?
আমিঃ কিকক,,,আপু বলছে?
অবন্তীঃ হু,,,তুমি আমাকে একটুউ ভালোবাসো না।
।
যাক আপনারা বেঁচে গেলেন,,,আমি ভাবছিলাম,,,আমার পাঠক না হয় পাঠিকা বলছে,,,কিন্তু আমার ধারোনা ভুল,,সরি আপনাদের সন্দেহ করার জন্য।
।
অবন্তীঃ তোমার সাথে আর কথানেই,, আমি রাগ করছি।তেমার সাথে আরি,।
।
কি মেয়েরে বাবা রাগ করছে সেই কথা আবার শুনি শুনি বলছে,,,কি ভাবছো আমি তোমার রাগ ভাজ্ঞাবো না,,দেখি তুমি আমার সাথে কতক্ষন রাগ করে থাকতে পারো,,হাহাহা,,,আমি তোমার রাগ কমাচ্ছি না,,,অবন্তী আমার বিপরিদ দিকে মুখ করে আছে,,দুজনেই কনো কথা বলছি না,,,দুজনি নিরাবতা পালন করছি,,এই ভাবে কিছু মিনিট যাওয়ার পর হঠাৎই অবন্তী আমাকে মারতে লাগলো…
।
অবন্তীঃ সয়তান,,ফাজিল পোলা,,[আরো কিছু গালি দিলো,,,সেগুলো আপনারা মিলিয়ে নিয়েন,,,আমি আবার খারাপ ভাষা বেশি বলিনা।]
আমিঃ এই কি করছো,লাগছে তো।
অবন্তীঃ লাগুক,,আরো বেশি করে মারবো,তোমাকে
আমিঃ এই মরে,,,,,,,,,
।
আর কিছু বলতে পারলাম না,,অবন্তী ওর মিষ্টি ঠোঁট দিয়ে আমার মুখ বন্ধ করে দিলো,,আমিও রেসপন্স দিলাম,,প্রায় ১০/১২ মিনিট পর ছেরে দিলো,,আর ছেরে দিয়েই আমাকে আবার জরিয়ে ধরলো। হঠাৎ অবন্তী কান্না জরতে লাগলো.,,,,
।
আমিঃ এই পাগলি তুমি কান্না করছো কেনো।
অবন্তীঃ তুমি আমাকে ছেরে কোথায় যাবে না তো।
আমিঃ এই পাগলি,,,তোমাকে ছেরে আমি কোথায় যাবে,,হু একমাএ আমার মূত্যু,,,[আমাকে থামিয়ে দিয়ে]
অবন্তীঃ ওই একদম মরার কথা বলবি না,,আর এবার যদি বলিস তরে আমি নিজ হাতে খুন করবো তার পর আমি ও মরে যাবো।
আমিঃ ঠিক আছে আর বলবো না।
আপুঃ তানভির খেতে আয়।
আমিঃ আচ্ছি আপু.।,চলো
অবন্তীঃ হু।
।
তার পর দুজনে নিচে গেলাম৷,, ও আর একটা কথা বলা হয়নি আপুর বিয়ের জন্য এখন অবন্তী আমাদের বাসায়ই থাকে,,,তার পর সবাই খেয়ে নিলাম।
।
।,,,,,,,,,,,,,#চলবে,,,,,,,,,,,,,,,,।
।


No comments:
Post a Comment