Post Top Ad

Post Top Ad

সিরিয়ার আপুর রোমান্টিক অত্যাচার

সিরিয়ার আপুর রোমান্টিক অত্যাচার পর্ব 8


লেখক: নীল

তারপর বাহিরের দিকে তাকিয়ে দেখি।
অনার্সের তিন জন ছেলে রিমি আপুর কাছে গেলো। আর যারা গেলো তারা একটাও ভালো না।
আমি সাথে সাথে স্যার কে কিছু না বলেই ক্লাস থেকে বাহিরে আসলাম। আমার পিছনে জয় রাজু আরো অনেক ফ্রেন্ড ই এসেছে।
ওরা বুজে গেছে
এভাবে আমি হুট করে যখন বের হয়ে আসছি।
তাহলে নিশ্চি কোনো জামেলা আছে।
দুর থেকে দেখেই বুজা যাচ্ছে ছেলেগুলো রিমি আপুকে টিজ করসে। আমি ওদের পিছনে
গিয়ে দারালাম। দেখি রিমি আপু কেঁদে দিছে।
তারপর রিমি আমাকে দেখে দৌড়ে এসে জরিয়ে দরলো।
আমিঃ কি হয়েছে।
রিমি আপু কেদেই চলছে কিছু বলছে না।
আমি তারপর ছেলেগুলা কে বললাম কি বলেছিস।
ছেলেগুলাঃ কিছুনা নীল, এমনি কিসে পড়ে জিঙ্গাস করছিলাম।
এই কথা বলার সাথে সাথেই একটা কে লাথি
মেরে ফেলে দিলাম।
আমিঃ কি হয়ছে রিমি বলো আমাকে।
রিমিঃ তুমি ক্লাসে যাওয়ার পর আমি এখানে বসে গান শুনছিলাম, তারপর এই ছেলেগুলা এসে আমাকে বাজে পস্তাব দেই এবং অনেক বাজে
কথা বলে।
রিমির কথা শুনে ত আমার রাগ চরম পর্যায় উঠে গেলো।
তারপর ছেলেগুলা কে ইচ্ছা মতো মারতে লাগলাম। তা দেখে ওদের কিছু ফ্রেন্ড দৌড়ে
আসলো এদিকে জয় রাজু আর আমার ফ্রেন্ড
রাও ইচ্ছা মতো মারতে লাগলো ওদের।
আমিঃ জীবনে আর কখন মেয়েদের সাথে এরকম বিহেভ করবি।
ওদের মধ্যো একজন ভুল হয়ছে নীল এভারের মতো মাফ করো আর কখনো এমন করবো না।
তারপর আমি ওদের আরো মারলাম। ওরা শুদু চিতকার করে বলছে ভুল হয়ে গেছে আর হবে না।
আমি মেরেই চলছি থামছি না। এমন সময় কারো সাহস নায় আমাকে আটকানোর। কারণ রাগ উঠলে আমার মাথা কাজ করে না।
তখনি রিমি আপু এসে আমাকে অনেক শক্ত করে জরিয়ে দরলো।
রিমি আপুর জরিয়ে দরাতে আমার রাগ অনেকটাই
কমে গেলো।
রিমিঃ ছেরে দাও নীল অনেক হয়েছে?।
আমিঃ ওদের সাহস কি করে তোমাকে বাজে কথা বলার।
ছেলেগুলা আবার ও আমার কাছে ক্ষমা
চাইলো,,
আমিঃ যার সাথে অন্যায় করেছিস তার কাচে গিয়ে মাফ চা।
তারপর ছেলেগুলো রিমি আপুর কাছে মাফ চাইলো।
আমিঃ এর পর যদি এমন হয় তাহলে মনে রাখিস
ওইদিন ই তদের পৃথিবীর শেষ দিন।
তখনি পিন্সিপাল আসলো,
পিন্সিপালঃ কি হচ্ছে কি এখানে?
আমিঃ স্যার আজকের মধ্যো এদের তিন জনকে রাস্টিকেট করবেন?
পিন্সিপালঃ কেনো?
তারপর সব কিছু স্যার কে খুলে বললাম।
আর এও বললাম
আমিঃ আর রাস্টিকেট না করলে আমি আব্বুকে
জানাতে বাধ্য হবো।
পিন্সিপালঃ না বাবা তোমার আব্বু কে জানাতে হবে না আমি এদের ব্যবস্থা করছি।
তারপর পিন্সিপাল চলে গেলেন রিমি আপু এখনো কাদছেন।
আমি রিমি আপু কে নিয়ে আমাদের কলেজের
পুকুর পারে চলে গেলাম। আমার অনেক ফ্রেন্ড ই
আমাদের পিছনে পিছনে আসছে।
তারপর আমি আর রিমি আপু পুকুর পাড়ে বসলাম। আর জয় কে ইশারা দিয়ে বললাম
সবাইকে নিয়ে চলে যেতে।
সবাই চলে গেলো রিমি আপুর কান্না এখনো
বন্ধ হচ্ছে না,, বুজেছি একটু রোমান্টিক ভাবে
কান্না থামাতে হবে।
তারপর আমি রিমি আপুকে দরে আমার দিকে গুড়িয়ে তার চোখের পানি মুছে দিলাম আর তার
দুই চোখে দুইটা কিস করলাম।
তারপর রিমি আপুর ঠোঁটের সাথে আমার ঠোঁট মিলিয়ে দিলাম। রিমি আপু আমার ঠোঁট গুলো পাগলের মতো চুষছে,, আবার মাজে মাজে কামর ও দিচ্ছে। এভাবে ৬-৭ মিনিট যাওয়ার পর আমি
রিমি আপুকে ছেরে দিলাম।
রিমি আপু সাথে সাথে আমার বোকে মুখ
লুকালো।
আমিঃ দেখি একটু আমার দিকে তাকাও ত।
রিমিঃ না লজ্জা করতাছে।
আমিঃ একটু তাকাও না।
তারপর রিমি আপু আমার দিকে তাকালো
আপুর ঠোঁট গুলো কাপছে,, এটা দেখে আমার
আকর্ষন আরো বেড়ে গেলো আমি আস্তে আস্তে রিমি আপুর ঠোঁটের দিকে আমার ঠোঁট নিতে
লাগলাম।
সাথে সাথে রিমি আপু চোখ গুলো বন্ধ করে ফেললো তারপর আবার ও চার ঠোঁট এক করে
দিলাম। অন্য রকম একটা ফিলিংস কাজ করছে।
যা বলে বুজানো সম্ভব নয়। অনেকখন এভাবে চলার পর আমি রিমি আপুকে ছেরে দিলাম।
আমিঃ এখন লজ্জা কাটছে?
রিমিঃ তুই কিন্তুু দিন দিন অনেক পেকে যাচ্ছিস।
আমিঃ একটু।
রিমিঃ তুই ছেলেগুলোকে ওভাবে মারলি কেন?
আমিঃ আমার জানকে কেউ বাজে কথা বলবে
আমি কি ওটা দারিয়ে দারিয়ে দেখবো নাকি?
রিমিঃ তাই বুজি।
আমিঃ হুম।
রিমিঃ ওই ছেলেগুলোকে দেখে মনে হলো
তর ছিনিয়র।
আমিঃ হুম।
রিমিঃ পরে যদি ওরা তর কোনো খতি করে।
আমিঃ এতোদিনে হয়তো বুজে গেছো।
এই এলাকাই আমার অন্যরকম একটা
নাম ডাক আছে৷।
রিমিঃ হুম বুজেছি আমার পিচ্ছি বড়টা অনেক বড় হয়ে গেছে।
আমিঃ চলো এখন বাসায় চলে যায়,, বিকালে আজকে গুড়তে যাবো।
রিমিঃ সত্যি
আমিঃ হুম
এ কথা বলাতেই জরিয়ে দরে আরেকটা দিয়ে দিলো।
তারপর আমি আর রিমি আপু বাইক নিয়ে বাসায় চলে আসলাম বাসায় এসে যে যার রুমে চলে গেলাম।
আমি রুমে গিয়ে শাওয়ার নিয়ে এসে একটু গেম খেলছিলাম তখনি রিমি আপু আসলো খাওয়ার
জন্য ডাকতে।
তারপর খাওয়া দাওয়া করে,,আমি আপুকে বললাম রেডি হতে। কারণ মেয়েদের রেডি হতে
অনেক দেরি হয়।
তারপর আমি রুমে এসে শুয়ে পড়লাম।
কখন যে গুমিয়ে পড়েছি নিজেই জানি না।
গুম থেকে উঠে যা দেখলাম।
# চলবে

Related Posts

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad