,
দিন সকালে খেয়াল করলাম
কেউ একজন আমার ওপর আছে। তাকিয়ে দেখি নিলিমা শুয়ে আছে।
বিয়ের আগেই এইসব বিয়ের পর তো না জানি কি সহ্য করতে হবে। আমি ডাকলাম না ওর মায়াবি মুখটার দিকে তাকিয়ে রইলাম।। কিন্তু এমন রোমান্টিক মোমেন্টটা নষ্ট হইয়া গেলো যখন বুঝতে পারলাম নিচে লুঙি নাই।
আমি চিৎকার করে উঠলাম।
আমার চিৎকার শুনে আম্মু আমার রুমে এসে দড়জা খুলতে বললো,
- ওই কি হইছে দড়জা খুল।(আম্মু) ওদিকে নিলিমার ও ঘুম ভেঙে গেছে। এখন আম্মু যদি দেখে তাহলে আমার মান সম্মান শেষ।
- কিছু না আম্মু তেলাপোকা।(আমি) - ওহ তাই বল আমিতো ভাবলাম না যানি কি?(আম্মু)
আম্মু চলে যাওয়ার পর নিলিমা বললো,
- তুমি মিথ্যা বললা কেনো? (নিলিমা)
- তো কি বলবো যে পেতনিটা
আমার লুঙি খুলছে?(আমি)
- ওই তোমার লজ্জা নাই কি বলো এসব?(নিলিমা)
- আপনি খুলছেন তাতে সমস্যা নাই আর আমি বললেই সমস্যা?(আমি)
- আরে ঘুমের ঘোরে কখন খুলে গেছে জানিনা?(নিলিমা)
- আর আপনি আমার ঘরে আসছিলেন কেনো?(আমি)
- ইচ্ছা হইছিলো তাই কোনো প্রবলেম।(নিলিমা)
- হুমম অনেক প্রবলেম।এরপর থেকে রাত্রি বেলা আমার রুমে আসবেন না?(আমি)
- বললেই হলো আমার বয়ফ্রেন্ড এর ঘর একশো বার আসবো।(নিলিমা)
- আচ্ছা একটা কথা ছিলো?(আমি)
- কি কথা? ??(নিলিমা)
- আপনি কিছু দেখেন নাই তো? (আমি)
- জ্বি না।(নিলিমা)
বলেই দৌড়ে চলে গেলো। এ আর আমাকে শান্তিতে থাকতে দিবে না।
আমি উঠে ফ্রেস হয়ে কলেজে যাওয়ার জন্য তৈরি হলাম। খাবার টেবিল এ বসে আজকে পা টা উপরে তুলে রাখছি যাতে লাথি না মারতে পারে। সময় হলো ও লাথি মারলো কিন্তু লাগলো গিয়ে চেয়ারে আর ও মুখটা কেমন করে উঠলো বুঝলাম ব্যাথা পেয়েছে। আমি একটা হাসি দিয়ে বুঝালাম দেখ কেমন লাগে।
ভাবতাছি আজকে থেকে ওকে এবোয়েড করবো দেখি তারপর ও কি করে।
,
কলেজ যাওয়ার সময় রিক্সা নিলাম। ও আমার পাশ ঘেষতে লাগলো।
- কি সমস্যা?(আমি)
- কোনো সমস্যা নাইতো? (নিলিমা)
- তাহলে এভাবে পাশ ঘেষতাছেন কেনো?(আমি)
- কই।(নিলিমা)
- ওদিকে চেপে যাবেন।(আমি)
- আর যদি না যাই তাহলে। (নিলিমা)
- তাহলে আমি রিক্সা থেকে নেমে যাবো।(আমি)
- না আমি সরে বসতাছি।(নিলিমা) ,
যাক কাজ হইছে তাহলে।
কলেজে গিয়ে দুজন আলাদা সিটে বসলাম।
প্রতিদিন অবশ্য একসাথে বসি। আজকে আলাদা।
প্রতিদিন এই যন্ত্রনা আর সহ্য হয়না। ,
আমি ওকে ভালোবাসি ঠিকই কিন্তু ওকেও বুঝতে হবে ও যা করতাছে তা ঠিক না।কেনো আমার ই খুলতে হবে। ধুরু লুঙি খুলতে হবে।
হ্যা আমাদের বিয়ে ঠিক কিন্তু এখনো বিয়ে হয়নাই।
,
যাই হোক ক্লাস শেষে একাসাথে বাসায় ফিরলাম।
ও পাশ ঘেষতে চাইছিলো আমি সরিয়ে দিছি।
,
আমি চাইছি ও আমার থেকে কিছুদিন দুরে থাকুক।
যাই হোক বাসায় গিয়ে গোসল করে খেতে বসলাম।
নিলিমাও আমার সাথে বসছে হঠাৎ ও আমাকে লাথি মারলো।
- সকালের টার শোধ নিলাম। (নিলিমা)
নাহ এভাবে হবেনা এবার কিছু একটা করতেই হবে।
আমার এক বন্ধুকে কল দিলাম।
- দোস্ত আগামি সাত দিন আমি তোর বাসায় থাকবো তোর কোনো প্রবলেম নাইতো।(আমি)
- আরে না কখন আসবি?(নিলয়)
- কালকে?(আমি)
- আচ্ছা আয়।
,
রাতে খাওয়ার টেবিল এ বসে বললাম,
- আব্বু আমি সাত দিন বাসায় থাকবো নাা?(আমি)
- কি জন্য?(আব্বু)
- ফ্রেন্ড এর বাসায় যাবো।(আমি) - আচ্ছা।
আর কিছু বললো না নিলিমার দিকে তাকিয়ে দেখলাম
কেমন করে যেনো তাকিয়ে আছে। থাকুক বুঝুক এবার লুঙি ধরে টানাটানি করলে কি হয়।
,
ভাবতেই ভালো লাগতাছে সাত দিন কেউ জ্বালাতন করবে না। পরের দিন সকালে সবকিছু গুছিয়ে নিয়ে রওনা দিলাম।
আসার সময় নিলিমা শুধু ছলছল চোখে তাকিয়ে ছিলো।
আমার কেনো কোনো ফিলিংস
হলো না বুঝলাম না হয়তো খুব সহজে পাওয়া তাই ।
,
নিলয় এর বাসায় পৌছে আরামে একটা ঘুম দিলাম।
ঘুম ভাংলো ফোন এর শব্দে,
- হ্যালো?(আমি)
ওপাশ থেকে কথা বলতাছে না নাম্বার দেখে বুঝলাম নিলিমা। .
.
চলবে....?
.
[বি: দ্রঃ গল্পটা ভালো লাগলে, একটা ফানি কমেন্ট করার অনুরোধ রইলো😂 ।]
No comments:
Post a Comment