আমাকে দেখেই দৌরে এসে আমাকে জরিয়ে দরলো। আমি ত সেই লেবেলের লজ্জা পাচ্ছি
অনেক মানুষ ই তাকিয়ে আছে আমাদের দিকে।
আমিঃ আপু কি করছো কি? সবাই দেখতেছে ত?
রিমিঃ দেখুক আমার বর কে আমি দরেছি।
আমিঃ আপু প্লিজ ছারো এখানের সবাই আমাকে
চিনে সম্মানের বাড়োটা বাজিয়ো না।
এই কথা বলাতে ছেরে দিলো।
রিমিঃ কেমন আছিস পিচ্চি।
আমিঃ ভালো।
তুমি কেমন আছো আপু?
রিমিঃ আমার ভালো দিয়ে তর কি আসে যায় সেই যে চার বসর আগে আগে চলে আসলি একটিবার
ও গেলি না এবং কি ফোন ও রিসীভ করস নাই।
আমিঃ আসলে পড়ালেখার অনেক চাপ ত।
রিমিঃ পড়ালেখার চাপ নাকি,,গ্রালফ্রেন্ড নিয়ে বিজি থাকস।
আমিঃ আরে না।
রিমিঃ শুন পিচ্চি আমি যতটুকু জানি তর কোনো গফ নাই থাকলেও আজকে ব্রেকাপ করবি।
আমিঃ আপু এসব কথা রাস্তায় না বলি।
রিমিঃ ওকে কিসে করে যাবো।
আমিঃ বাইকে।
রিমিঃ এতগুলা ব্যগ কি করে নিবো।
আমিঃ ব্যগ গুলো রিক্সায় করে পাঠিয়ে দেয়।
রিমিঃ আচ্ছা।
তারপড় আমি রিক্সাওয়ালা কে ডাক দিলাম।
আমিঃ মামা যাবেন?
রিক্সাওয়ালাঃ হ যামু মামা
আমিঃ ওকে ঠিকানা দিয়ে দিচ্ছি ব্যগগুলো বাসায় পৌছে দিবেন।
রিক্সাওয়ালাঃ ঠিকানা লাগব কেন? তোমার
বাসা ত এই এলাকার সবাই চিনে।
আমিঃ ওকে মামা যাও তাহলে।
তারপড় আমি বাইকে বসলাম।
আমিঃ উঠেন আপু।
রিমিঃ হুম।
রিমি আপু উঠেই আমাকে জরিয়ে দরলো।
রিমি আপু জরিয়ে দরাতে অন্য রকম
একটা ভালো লাগছে।
এর আগেও ত অনেক মেয়ে ফ্রেন্ড বাইকে উঠেছে তাদের বেলায় ত এমন অনুভূতি হয়নি।
আমিঃ আপু এভাবে বসলা কেন?
রিমিঃ আজকে ফাস্ট টাইম বাইকে বসলাম ত
তাই ভয় করছে।।
আমিঃ একটু হালকা করে দরো।
এই কথা বলাতে আরো শক্ত করে দরলো।
জানি এখন তাকে হাজার বার বললেও শুনবে না।
ত বেশি কথা না বলায় ভালো।
আমি বাইক স্টাট করে চলতে শুরু করে করলাম।
রিমিঃ তুই কিন্তুু আগের চাইতে অনেক
কিউট হয়ছত।
আমিঃ হুম জানি আমি।
রিমিঃ ত এই পর্যন্ত কয়টা মেয়ে পটাইছত।
আমিঃ নাহ্ আমি এখন পর্যন্ত প্রেম করি নাই।
রিমিঃবাইক থামা
আমিঃ কেন আপু?
রিমিঃ এতো কথা বলস কেন থামাতে বলছি থামা।
আমিঃ হুম
তারপড় বাইক থামালাম।
আমিঃ কি হয়েছে কি এরকম মাজ রাস্তায় বাইক থামাতে বললা কেন?
রিমিঃ ওইযে দেখ ফুচকা চল ফুচকা খাবো।
আমিঃ আমি এসব খায় না।
রিমিঃ তুই না খেলি আমি খাব তুই দেখবি চল এখন এতো কথা না বলে।
আমিঃ হুম চলেন।
তারপড় আমরা ফুচকার দোকানে গেলাম।
ফুচকার দোকানে গিয়ে একটা বেন্চে বসলাম।
আমিঃ মামা এক প্লেট ফুচকা দেন ত।
ফুচকাওয়ালাঃ আরে নীল বাবা যে কোথায় থাকো
এখন বেশি আসো না যে।
আমিঃ একটু ব্যস্ত থাকি পড়াশুনা নিয়ে তাই তেমন আশা হয় না।
ফুচকাওয়ালাঃ একটু বসো আমি এখনি দিচ্ছি।
তারপড় বসে বসে আমি আর রিমি আপু কথা বলছি তখন এক ছোট ভাই আসলো ওর নাম শান্ত।
শান্ত এসেই বললো।
শান্তঃ আরে নীল ভাইয়া যে?
আমিঃ হুম।
শান্তঃ তা এইটা কে ভাইয়া ভাবি নাকি।
আমিঃ একটা থাপ্পর দিয়ে সব দাত ফেলে দিবো বেয়াদপ।
রিমিঃ হুম আমি তোমার ভাবি,,তোমার নীল ভাইয়ার বউ।
শান্তঃ আমি আগেই জানতাম। কারণ ভাইয়া কোন মেয়ের সাথে মিশে না ত স্পেশাল কাউকে ছারা ত আর ফুচকা খেতে আসবে না।
আমিঃ তুই সত্যি একটু বেশিই বুজস।
এইটা আমার খালাত বোন রিমি আপু
আর আপু এইটা আমার কলেজের ছোট ভাই শান্ত।
রিমিঃ দেখছো কি ফাজিল হবু বউ কে কেউ আপু বলে।
আমিঃ আপু ফাজলামি বাদ দাও ত।
আচ্ছা শান্ত তুই এখন যা আমি তর সাথে পড়ে
কথা বলব।
শান্তঃ ওকে ভাই বাট ট্রিট কিন্তুু দিতে হবে।
আমিঃ হুম যা দিব ত ট্রিট।
তারপড় শান্ত চলে গেলো।
তখনি রিমি আপু বললো।
রিমিঃ আচ্ছা নীল ফুচকাওয়ালা মামা যে বললো
এর আগে অনেক এসেছিস এখন কম আসস।
তারমানে আগে গার্লফ্রেন্ড নিয়ে আসতি।
আমিঃ আরে না মাজে মাজে ফ্রেন্ডদের সাথে আসতাম।
রিমিঃ ছেলে ফ্রেন্ড নাকি মেয়ে ফ্রেন্ড।
আমিঃ ছেলে ফ্রেড আর আমার কোন মেয়ে ফ্রেন্ড নেই। আর মাজে মাজে মেয়েদের সাথে আসলেও
এগুলা বন্ধুর গার্লফ্রেন্ড।
রিমিঃ ওহ্
কথা বলতে বলতে ফুচকা চলে আসলো।
তারপর রিমি আপু তিন প্লেট ফুচকা খেলো।
একটা জিনিস বুজলাম না মেয়েরা এতো
ফুচকা কেন পছন্দ করে। হয়তো ফুচকাই টক
থাকো তর জন্য।
তারপর বিল দিয়ে আমি আবার বাইক স্টাট করলাম। রিমি আপু আবার আগের মতোই
জরিয়ে দরে বসে আছে।
এইভার কিছু বললাম না। কারণ আপু জরিয়ে দরলে আমার ভালই লাগে।
তারপর আপু বললো।
চলবে



No comments:
Post a Comment