Post Top Ad

Post Top Ad

সিরিয়ার আপুর রোমান্টিক অত্যাচার

সিরিয়ার আপুর রোমান্টিক অত্যাচার পর্ব 3

,
লেখক: নীল

কথা বলতে বলতে ফুচকা চলে আসলো।
তারপর রিমি আপু তিন প্লেট ফুচকা খেলো।
একটা জিনিস বুজলাম না মেয়েরা এতো
ফুচকা কেন পছন্দ করে। হয়তো ফুচকাই টক
থাকো তর জন্য।
তারপর বিল দিয়ে আমি আবার বাইক স্টাট করলাম। রিমি আপু আবার আগের মতোই
জরিয়ে দরে বসে আছে।
এইভার কিছু বললাম না। কারণ আপু জরিয়ে দরলে আমার ভালই লাগে।
তারপর আপু বললো আচ্ছা এখানের সবাই তকে চিনে কি করে।
আমিঃ আস্তে আস্তে সব বুজতে পারবা।
রিমিঃ ওই আবার ত বখাটে হস নায়।
এই কথা বলাতে শুদু আমি একটা মুচকি হাসি দিলাম।
তারপর রাস্তায় আপু অনেক কথা বললো আমি শুদু হুম না বললাম।
তারপড় বাসার সামনে চলে আসলাম তারপর
রিমিঃ নামো এসে পরছি।
আমিঃ এটাই বাসা।
রিমিঃ অনেক সুন্দর ত।
আমিঃ হুম চলো ভিতরে যায়।
তারপর গেটের ভিতরে ডুকলাম।
তারপর দরজার সামনে গিয়ে কলিংবেল
দিলাম সাথে সাথে দরজা খোলে দিলো।
এমনিতেই ত কলিংবেল দিতে দিতে হাত ব্যথা
হয়ে যায় তাও দরজা খোলার নাম ই থাকে না।
আজকে একবার বাজাতেই সাথে সাথে দরজা
খোলে দিলো।
রিমি আপু আসবে বলে আম্মু হয়তো আমাদের জন্য দরজার সামনে অপেক্ষা করেই আছিলো।
রিমি আপু ভিতরে ডুকেই আম্মুকে পায়ে দরে
সালাম করলো।
আম্মুঃ কেমন আছিস মা?
রিমিঃ ভালো বড় আম্মু,,
তুমি কেমন আছো?
আম্মুঃ ভালো।
কতো বড় হয়ে গেছিস আর দেখতেও
ত আগের চাইতে অনেক মিষ্টি হয়েছিস।
আমিঃ মিষ্টি না ছাই।। আগেই ভালো ছিলো এখন
পেত্নির মতো দেখা যায়।
রিমিঃ দেখো বড় আম্মু তোমার ছেলে আমাকে কি বললো।
আম্মুঃ ওই বাদর তুই চুপ করবি নিজে ত দেখতে
একদম নাইজিরিয়ার বাদরের মতো আরকজনকে
পেত্নি বলে।
রিমিঃ আম্মু তুমি আমাকে এইটা বলতে পারলা।
(একটু কান্নার ভাব দরে বললাম)
আম্মুঃ নেকামো বাদ দিয়ে মেয়েটা অনেক দুর থেকে এসেছে ওকে নিয়ে তর পাশের রুমে যা
ফ্রেশ হয়ে একটু গুমিয়ে নেক।
আমিঃ বাড়িতে এতগুলা রুম থাকতে আমার পাশের রুমে কেন?
আম্মুঃ যা বলছি তাই কর।
যা মা একটু বিশ্রাম কর।
রিমিঃ ওকে।। আর বড় আব্বু কোথায়।
আম্মুঃ তর বড় আব্বু অফিসে।
আমিঃ এখন আসো আপু।
রিমিঃ হুম চল।
তারপড় রিমি আপুকে নিয়ে আমার রুমের পাশের রুমে দিয়ে আসলাম।
আমিঃ ওকে আপু ফ্রেশ হন আমি এখন যায়।
রিমিঃ কোথায় যাবি এখন।
আমিঃ একটু বাহিরে যাবো বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে।
রিমিঃ ওকে যা আর তারাতারি আসবি।
আমিঃ ওকে আপনি ফ্রেশ হন।
তারপর আমি বাসা থেকে চলে আসলাম বাহিরে,
তারপর আমার প্রাণ প্রিয় বন্ধু জয় কে ফোন দিলাম। সাথে সাথেই ফোন রিসিভ করলো।
জয়ঃ হ্য মামা বল।
আমিঃ ক্লাবে আসই।
জয়ঃ ওকে।
তারপর রাজু কে ফোন দিলাম।
রাজুঃ হুম বল কি বলবি?
আমিঃ ক্লাবে আসই।
রাজুঃ ওকে।
আসলে আমাদের একটা ক্লাব আছে।
ক্লাবের কাজ হলো গরীব- অসাহায় মানুষদের
সাহায্য করা এবং বিপদে তার পাশে দারানো।
তারপর আমি বাইক নিয়ে ক্লাবে চলে গেলাম।
ক্লাবের সামনে এসে বাইক রেখে ক্লাবের ভিতরে
গেলাম।
গিয়ে দেখি রাজু আরো অনেকেই এসেছে।
আমিঃ জয় কোথায়।
তখনি জয় আসলো।
জয়ঃ এই ত এসে গেছি।
তা এতো জরুরি তলব কিসের জন্য।
আমিঃ শুন কালকে তদের কাজ হবে
কিছু গরিব-অসহায়দের খাবার খাওয়ানো।
আর এতিম খানায় কিছু খাবার পাঠাবি।
জয়ঃ ওকে হয়ে যাবে।
আমিঃ জয় আর রাজু আসই আর তরা সবাই এখানেই থাক।
তারপর আমি জয় আর রাজু একটা কফি শপে ডুকলাম।
আমিঃ প্যরায় ত পরে গেছি।
জয়ঃ কেন কি হয়েছে।
আমিঃ রিমি আপু এসেছে।
রাজুঃ যার কথা বলেছিলি প্যরা দেয়।
আমিঃ হুম এখন কি করবো।
রাজুঃ কিছুদিনের ই ত ব্যপার সয্য করে নিবি।
আমিঃ শালা এখানেই থাকবে এখান থেকে
স্টাডি করবে।
জয়ঃ তাহলে তর কপাল পুড়লো।
আমিঃ হুম
তারপর ওদের সাথে আড্ডা দিতে দিতে দুপুর দুইটা
বেজে গেলো।
তখনি ফোনে একটা কল আসলো।
রিসিভ করলাম না,, তার পর একটা এস এম এস আসলো,, এস এম এস দেখে ত আমি শেষ,
চলবে

Related Posts

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad