Post Top Ad

Post Top Ad

সিরিয়ার আপুর রোমান্টিক অত্যাচার

সিরিয়ার আপুর রোমান্টিক অত্যাচার পার্ট 6


লেখক: নীল


আমিঃ হয়ছে অনেক রাত হয়ছে।

এখন তোমার রুমে যাও।

রিমিঃ না আজকে এখানে থাকবো।

আমিঃ পাগল হয়ছো তুমি? যদি কোনো অগটন হয়ে যায়।

রিমিঃ আমি ত সেটাই চায়।

আমিঃ যাও ত এখন গুমাবো।

রিমিঃ তারিয়ে দিচ্ছিস।

ওকে চলে যাচ্ছি।

এই বলে আপু রুমের লাইট অফ করে চলে গেলো।

তারপর আমি গুমিয়ে পড়লাম,,

সকালে গুম থেকে উঠে দেখি রিমি আপু আমাকে

জরিয়ে দরে শুয়ে আছে।

আমিঃ ওই আপু?

রিমিঃ কি হয়েছে।

আমিঃ তুমি আসছো কখন?

রিমিঃ সকালে আসছিলাম তকে ডাক দিতে

এসে দেখি,, তুই গুমিয়ে আছিস গুমন্ত অবস্থায়,

তকে অনেক সুন্দর লাগছিলো তাই আর ডিস্টাব করি নাই আমিও তর সাথে গুমিয়ে পড়ছিলাম।

আমিঃ ভালো করছো এখন উঠো।

রিমিঃ না তর বুকে আমার অনেক ভালোলাগছে।

আমিঃ আম্মু এসে পড়বে।

রিমিঃ না বড়ো আম্মু এখন আসবে না,

রান্না করতাছে।

আমিঃ না আসলো উঠো ফ্রেশ হবো,, তোমাকে নিয়ে ত আজকে কলেজে যেতে হবে।

রিমিঃ তাহলে একটা কিস করো।

আমিঃ সারাদিন ই তোমার কিস লাগে।

রিমিঃ হুম লাগে।

আমিঃ এটা কিন্তুু অত্যাচার।

রিমিঃ হুম রোমন্টিক অত্যচার।

বুজলে পিচ্চি।

আমিঃ হুম বুজলাম।

তারপর রিমি আপু আমার মাথা দরে,

হালকা করে ঠুটে একটা চুমু দিলো।

তারপর আবার একটা কিস করলো

অনেকখন দরে। কিছুখন পরে আপু

ছেরে দিলো।

রিমিঃ কেমন লাগলো?

আমিঃ একটুও ভালো না।

রিমিঃ মিথ্যুক।

আমিঃ এখন যাও ত রেডি হও আজকে তোমাকে

নিয়ে কলেজে যাবো ত।

রিমিঃ ওকে যাচ্ছি।

তারপর রিমি আপু চলে গেলো। আমিও উঠে

ফ্রেশ হয়ে ড্রেস চেইন্জ করে নিচে চলে গেলাম

খাবার খেতে। খাবার টেবিলে এসে দেখি কেউ নাই আম্মু সুফায় বসে টিভি দেখছে।

আমিঃ আব্বু আর রিমি আপু কোথায়?

আম্মুঃ তর আব্বু অফিসে চলে গেছে।

আর রিমি ওর রুমে।

তারপর আমি রিমি আপুকে ডাকতে তার রুমে গেলাম। গিয়ে দেখি শাড়ি পড়ার চেষ্টা করতাছে

বাট পারতাছে না।

আমিঃ কি করো আপু?

রিমি আপু নিচের দিকে জুকে শাড়ির কুচি ঠিক

করছিলো আমার কথা শুনে চমকে উঠে,,

যার ফলে আপুর হাত থেকে শাড়ির আচল

নিচে পরে যায়।

আমি সাথে সাথে অন্যদিকে গুরে তাকায়।

রিমিঃ কি হলো,,,এভাবে অন্যদিকে তাকালি কেন?

আমিঃ তোমার শাড়ির আচল ঠিক করো।

রিমিঃ আমি পাড়তাছি না,, তুই একটু সাহায্য কর না।

আমিঃ আমি পারি না।

রিমিঃ তর পাড়তে হবে না তুই শুধু কুচিটা ঠিক করে দরে রাখবি।

আমিঃআচ্ছা।

তারপর আমি গিয়ে রিমি আপুর কুচি দরলাম

আপু শাড়ির আচল ঠিক করতে লাগলো।

ঠিক করা শেষে বললো।

রিমিঃ কুচিটা দিয়ে দে,

আমিঃ তুমি দাও পারবনা।

রিমিঃ প্লিজ দিয়ে দে।

তারপর আমি রিমি আপুর কুচি টা গুজে দেওয়ার সময় আপু শিউরে উঠে আমাকে জরিয়ে দরলো।

তারপর আমি রিমি আপুর কানে কানে

বললাম।

আমিঃ তোমার নাভিটা দেখে না

আমার একটা কিস করতে ইচ্ছা করতাছে।

রিমিঃ যা কুত্তা এখান থেকে।

আমিঃ কি হলো আবার?

রিমিঃ আমার বুজি লজ্জা করে না।

আমিঃ বাহ্ তোমার আবার লজ্জাও আছে।

রিমিঃ হুম অনেক।

আমিঃ এখন ছারো, চলো খেতে চলো

রিমিঃ নাহ্।

আমিঃ কেন?

রিমিঃ লজ্জা করতাছে।

আমিঃ ওরে আমার লজ্জা বতী রে।

চলো ত এখন।

রিমিঃ ওকে চলো।

তারপর আমি আর রিমি আপু নিচে চলে

গেলাম নিচে গিয়ে আমি আর আপু খেয়ে

যার যার রুমে চলে গেলাম।

আমি রুমে গিয়ে জয় আর রাজু কে

ফোন করলাম।

আমিঃ হ্যলো জয়।

জয়ঃ হুম বল।

আমিঃ কোথায় তুই?

জয়ঃ বাসায়।

আমিঃ তারাতারি কলেজের সামনে আসয়।

জয়ঃ ওকে।

তারপর রাজু কে ও একি কথা বললাম।

তারপর আমি বাইক বাহির করে বাসার সামনে

দারালাম।

একটু পর রিমি আপু আসলো,, আপু কে

দেখে ত আমি অবাক একটা মেয়ে এতোটা

সুন্দর হতে পারে তা হয়তো রিমি আপুকে

না দেখলে বুজতাম ই না।

রিমিঃ ওই এভাবে কি দেখিস,

আমিঃ চুপ

রিমিঃ ওই

আমিঃ ওহ্ তুমি এসেছো।

রিমিঃ আমি আসছি কখন মানে, এভাবে কি দেখছিলি।

আমিঃ তোমাকে।

রিমিঃ সময় ত শেষ হয়নি সারাজীবন ই দেখতে

পারবি,,

আমিঃ হুম উঠো।

তারপর উঠে বাইক স্টাট করলাম।

আপু উঠেই আমাকে জরিয়ে দরলো।

আমিঃ রিমি আজকে না তোমার একটা জিনিস দেখছি?

রিমিঃ কিহ?

আমিঃ তোমার বুকের তিল টা।

রিমিঃ ওই ফাজিল তুই দেখলি কিভাবে।

আমিঃ যখন তোমার শাড়ির আচল পরে গেছিলো

তখন দেখছি।

রিমিঃ আর একটা কথাও বলবি না আমার কিন্তুু

অনেক লজ্জা করতাছে।

আমিঃ ওকে।

তারপর আমরা কলেজে চলে গেলাম।

দেখি জয় আর রাজু আরো কিছু ফ্রেন্ড কলেজ

গেটে বসে আছে। তারপর আমাদের দেখে ওরা

এগিয়ে আসলো।

এগিয়েই এসেই জয় বললো

#চলবে

Related Posts

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad