লেখকঃ শ্রাবন রায়
৩ মাস পর...........(3 months later)
শিমলাকে এই তিন মাস ধরে টরচার করে আসতেছি।
আজ রাতে অফিস শেষে বাসায় চলে এলাম। আমি আগে এসেছি। কারন বাইক চালিয়ে আগে চলে এসেছি। আর ম্যাম পরে আসবে।
এই কয়দিনে শিমলার চেহারা একদম দেখার মতো হয়েছে।
আর রাতে মাটিতে শুতে তো খুব কষ্ট হয় মনে হয়।
তাই আজ রাতে শিমলাকে মেনে নিব ভাবতেছি। কারন এই কয়েকদিনে ম্যাম অনেক কষ্ট পেয়েছে।
বিকালে আমি বাইরে চলে এলাম। শিমলা আমায় কিছু জিজ্ঞেস করে না। কারন কিছু বললেই আমি বকা দেই।
তাই কিছু জিজ্ঞেস করতে ভয় পায়।
রাতে বাসায় চলে এলাম। এসে দেখি শিমলা আমার আপুকে বই পড়াচ্ছে।
আমি- রাত অনেক হয়েছে এখন ভাত খেতে চল সবাই।
জান্নাত- হুম ভাবি চল।
শিমলা- হুম।
সকলে ভাত খেয়ে নিলাম।
আমি- শিমলাকে উদ্দেশ্য করে বললাম আজ তোমার পরিষ্কার করার দরকার নেই। বুয়াকে বলে একজন লোক ঠিক করেছি। আজ থেকে সে পরিষ্কার করে দিবে।
শিমলা- হুম(অবাক হয়ে)
এরপর দেখি শিমলা আবার জান্নাত কে পড়াতে বসবে। ঠিক তখন আমি
আমি- আপু আজ থেকে তুমি একা একা পরবে।
জান্নাত- ভাইয়া আমার ভাবির কাছে পরতে ভালো লাগে।
আমি- আমি যেটা বলছি সেটা শুনো। ভাবির কষ্ট হয় তো নাকি??
জান্নাত- হুম।
আমি- তুমি রুমে আস।।।(শিমলাকে বললাম)
শিমলা- হুম। (ভয় পেয়ে)
আমি রুমে এসে খাটে বসে আছি।
শিমলা এসে ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করল।
শিমলা- তুমি কিছু বলবে??
আমি- না। শুয়ে পর এখন......
শিমলা- হুম। অবাক হয়েছে আমি আজ ওকে তুমি ডাকতেছি তাই।
যেই মাত্র নিচে বিছানা তৈরি করবে
আমি- আজ থেকে নিচে ঘুমানোর দরকার নেই।
শিমলা- প্লিজ আমায় ঘর থেকে বাইরে বের করো না। আমি নিচে এক কোনে শুয়ে থাকব।
আমি- আমি তা বলেছি।
শিমলা- তাহলে আমি ঘুমাবো কই??
আমি- খাটে।
শিমলা- কিহ??? (অবাক)
আমি- হুম।
শিমলা- তাহলে তুমি ঘুমাবে কই??
আমি- খাটেই ঘুমাবো।
শিমলা- হুম বলেই এক লাফে খাটে উঠে পরল।
আমি- বালিশ এর দরকার নেই।
শিমলা- তাহলে মাথা দিব কই??
আমি- তুমি শুয়ে পর। আমি দেখতেছি।
শিমলা- হুম বলে শুয়ে পরল।
আমি- শিমলাকে আমার বুকে টেনে নিলাম।
শিমলা- খুব অবাক। সাথে লজ্জা পাচ্ছে।
আমি- জরিয়ে ধরে শুয়ে আছি। শিমলার মাথা আমার বুকে।
শিমলা- লজ্জায় মুখ গুজে আছে আমার বুকে।
আমি- ম্যাম আপনি লজ্জা পাচ্ছেন কেন??
শিমলা- মোটেও না।
আমি- তাই। তাহলে তো আর কোন প্রব্লেমই নাই। বলেই চার ঠোঁট এক করে দিলাম।
শিমলা খুব অবাক আর সাথে লজ্জা পাচ্ছে। ৫ মিনিট পরে ছেড়ে দিলাম।
আমি- কেমন লাগল ম্যাম??
শিমলা- হুহ কি দুষ্টু তুমি।
আমি- হাহাহাহা আর একটা দেই।
শিমলা- নাহ। তার আগে তুমি বল আমায় মেনে নিয়েছ??
আমি- হুম।
শিমলা- তাহলে তুমি আমায় এতদিন আমার সাথে এমন ব্যবহার কেন করলে??
আমি- তোমার সাথে মাত্র ৩ মাস এমন করেছি আর আমি ৫ বছর এমন কষ্ট ভোগ করেছি।
শিমলা- তুমি বিশ্বাস কর আমি বুজতে পারি নাই। মিম আমায় যেভাবে বলেছিল তাতে আমি ওই কথাটা বিশ্বাস করতে বাধ্য হয়েছি।(বলে কেদে দিল)
আমি- আর কাদতে হবে না ম্যাম। আমি এবার তো তোমায় মেনে নিয়েছি।
শিমলা- হুম। তাহলে এতদিন আমায় কষ্ট দেওয়া তোমার প্লান ছিল??
আমি- হুম।(সব খুলে বললাম)
শিমলা- কুত্তা,বিলাই,ড্রাগন,খাটাশ ইত্যাদি বলে বুকে কিল ঘুসি দিতে লাগল।
আমি- জরিয়ে ধরলাম জোরে।
শিমলা- আমাকে আর কষ্ট দিবে না তো??
আমি- না। দিব না তবে
শিমলা- তবে কি??
আমি- আমার আরো একটা চাই..
শিমলা- কি চাই???
আমি- ওইটা।(ঠোঁটের দিকে)
শিমলা- যাহ কি দুষ্টু।
আমি- আর কোন কথা না বলে এক করে দিলাম।
(এরপর রাতের ঘটনা তো আমি কিছুই জানি না। বিয়ে করি নি তো + ছোট মানুষ। আপনার যে যার মতো মনে করে নিন।😁😁)
সকালে.......
শিমলার ডাকে ঘুম ভাংল।
শিমলা- ওই উঠো সকাল হয়ে গেছে।
আমি- হুমমমম্ম
শিমলা- কি হুম হুম করতেছ সেই সকাল থেকে।
আমি- পরে উঠি প্লিজ।
শিমলা- পরে মানে কি? এখনই উঠো।অফিস টাইম হয়ে গেছে।
আমি- পরে যাব অফিসে।
শিমলা- পরে কেন। দেরি হলে কিন্তু অফিসে ঢুকতে দিব না।
আমি- তুমি ঢুকতে না দেবার কে। ওটা আমার বউ এর অফিস আমি যখন খুশি তখন যাবো।
শিমলা- কিহ???? তবেরে
আমি- এক লাফে উঠেই বত্রুমে চলে এলাম।
শিমলা- পরে দেখে নিব তোমায়।
আমি- যাও যাও।
এরপর ফ্রেশ হয়ে নিচে গিয়ে খাবার খেয়ে নিলাম।
খাবার সময় তেমন কোন কথা হয় নি। তাই আর কিছু লিখলাম না।
এরপর দুজনে বের হলাম অফিসের উদ্দেশ্যে।
ম্যাম আজ আমার বাইকের পিছনে।
অফিসে ঢুকার পরে সবাই অবাক। কারন আজ দুজনেই একসাথে এসেছি।
এর আগে কখনো আসি নাই তাই।
এরপর থেকে আমাদের এই ভাবে দুজনের জীবন চলছিল।
এদিকে জান্নাত আপুর পরিক্ষা শেষ।
আমাদের তিনজনের ছোটখাটো সংসার ভালো ভাবেই চলছিল।
একদিন------
জান্নাত- ভাবি আমার পরিক্ষা তো শেষ।
শিমলা- হুম তো??
জান্নাত- চলো না আমরা কোথা থেকে ঘুরে আসি।
অনেক দিন ঘুরতে যাওয়া হয় না।
শিমলা- হুম ঠিক বলেছ।
আমি- হুম। তা কোথায় যাওয়া হবে???
শিমলা- আমি নিয়ে যাব তোমাদের।
আমি- কোথায়??
জান্নাত- হুম কোথায় ভাবি???
শিমলা- নাম বলব না। গেলেই বুজতে পারবে।
আমি- হুহ।
জান্নাত- অহহ।
শিমলা- হাহহাহা।।।। তাহলে কবে যেতে চাও তোমার??
আমি- ৩ দিন পরে।
জান্নাত- হুন ওকে।
এরপর এই তিনদিন ধরে আমরা সকলে সব কিছু ঘুছিয়ে নিলাম।
সপিং করতে গেলাম। সপিং এর কথা কি বলব?? মেয়েরা পারেও বটে।
এরপর অবশেষে সেই দিন এল।
এখামে আমার জন্য এত বড় একটা সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছিল আমি তো তা বুজতেই পারি নি।
সব কিছু শিমলার প্লান ছিল।
সকালে আমরা শিমলার গাড়ি করে রওনা দিলাম। আমাদের গন্তব্য স্থানে। আমি আর আপু অবশ্য জানি না কোথায় যাচ্ছি।
সেখানে পৌছে তো আমি পুরা শকড।
গাড়ি থেকে........
চলবে......?????



No comments:
Post a Comment