লেখক-- তানভির
,
,
কাল বেলা কারো ভেজা চুলের পানির ফোটা এসে আমার মুখে পরতেই ঘুম নষ্ট হয়ে যায়।
আমি ঘুম ঘুম চোখে তাকাতেই দেখি অবন্তী একটা শাড়ি পরে আয়নার সামনে চুল আছরাচ্ছে। তার কোমর একটু করে দেখা যাচ্ছে। আমি উঠে গিয়ে তার কোমটাতে
একটু চাপ দিয়ে ধরতে অবন্তী বলতে লাগলো,,,,,,,
।
অবন্তীঃ সকাল বেলা আবার কি শুরু করলে।
আমিঃ কই কিছু না তো[বলতে বলতে জরিয়ে ধরছি]
অবন্তীঃ তাহলে এমন করছো কেনো,,সারা রাত তো ঘুমাতেই দাওনি এখন আবার কি শুরু করছো।
আমিঃ কই না তো,,এখনতো কিছুই শুরু করিনি কিন্তু এবার করবো[এটা ডেবিল হাসি দিয়ে]
অবন্তীঃ কি করবে?[আমার দিকে ঘুরে]
আমিঃ উমমম,,বেশি কিছু না রাতে আমাকে যা শিক্ষাইছো সেটাই একটু অনুশীলন করবো।
অবন্তীঃ কিকক,,
আমিঃ জী,,সিনিয়র বউ
অবন্তীঃ পারবো না আমি।
আমিঃ এটা বললে তো চলবে না,,[বলেই অবন্তী কোমর ধরে আমার সাথে মিশিয়ে দিলাম]
অবন্তীঃ কি করছো কেউ এসে পরবে তো।
আমিঃ কেউ আসবে না।[এই বলে যেই অবন্তীর ঠোঁটের দিকে মুখ নিবো]
অবন্তীঃ আম্মু তুমি কখন আসলে?
আমিঃ আম্মু,,,,
।
আম্মুর কথা শুনে অবন্তীকে ওমনি ছেরে দিয়ে একটু দূরে ধারালাম,,,আর এই ফাকে অবন্তী আমাকে ধাক্কা দিয়ে দৌড় দিলো,,,আমি দরজার দিকে তাকিয়ে দেখি কেউ নেই,,তার মানে আমাকে মিথ্যা বলছে,,,
।
আমিঃ ওই তুমি আমাকে মিথ্যা বললে কেনো?
অবন্তীঃ হিহিহি,,আমার ইচ্ছা,,আমি বলছি।
আমিঃ এটা কিন্তু ঠিক না।
অবন্তীঃ কি ঠিক না হু?
আমিঃ তুমি আমার সাথে এমন করতে পারো না,,,এদিকে আসো,।
অবন্তীঃ কেনো?
আমিঃ আগে আসোই না।
অবন্তীঃ না আসবো না তুমি ওখান থেকেই বলো।
আমিঃ তুমি আসবে না তো?
অবন্তীঃ না,,।
আমিঃ ওকে তুমি ওই খানেই থাকো আমিই আচ্ছি তোমার কাছে,।
।
আমি অবন্তীর কাছে যাওয়ার আগেই অবন্তী রুম থেকে বাহিরে দৌড় দিলো,,,যা চলে গেলো,,যাও না দেখি কোথায় জেতে পারো,,রাতে তো তোমাকে ধরা দিতেই হবে,,হাহাহা,,,তার পর আমিও ফ্রেশ হয়ে নিলাম,,,মামা-মামি মানে নীলার আম্মু অনেক আগেই চলে গেছে শুধু নীলাই আমাদের বাড়িতে রয়ে গেলো,,,যাই হোক ফ্রেশ হয়ে নিচে গেলাম,, দেখি অবন্তী রান্না ঘরে আমি চুপ করে গিয়ে অবন্তীকে পিছন থেকে জরিয়ে ধরলাম আর,,,,,
।
আমিঃ এখন কি করবে জানে মান।
অবন্তীঃ কিছুই না।
আমিঃ অ্যাা
অবন্তীঃ অ্যা,,নয় হ্যা,, এখন ছাড়ো আম্মু চলে আসবে।
আমিঃ উমম,না ছাড়বো না,,আমার বউকে আমি যা ইচ্ছে করবো।[বলেই অবন্তীর ঘারে একটা চুমু দিলাম]
।
আম্মুঃ এই তোরা রান্না ঘরে কি করছিস।
অবন্তীঃ আম্মু রান্না করতে হবে তাই,,
আম্মুঃ তাই কি হু,,,আমি কি তোমাকে রান্না করতে বলছি,,
অবন্তীঃ কিন্তু আম্মু,,,
আম্মুঃ কি কিন্তু,,আমি রান্না করছি তুমি যাও
অবন্তীঃ আম্মু আমিও আপনার সাথে রান্না করি।
আম্মুঃ না,,আমি থাকতে তুমি কষ্ট করতে যাবে কেনো?
অবন্তীঃ আপনার মেয়ে যদি বলতো তাহলে কি তাকে সাহায্যে করতে দিতেন না।
আম্মুঃ তুমি আমার বউমা না,,,তুমি আমার নিজের মেয়ে মা হয়ে মেয়েকে কি রান্না করতে দেয় বলো।
আমিঃ আম্মু ও একটু রান্না করতে চাচ্ছে করতে দাও না।
আম্মুঃ ঠিক আছে,,,
অবন্তীঃ সত্যি আমাকে রান্না করতে দিবে?
আম্মুঃ হু,,তুই করিস।
অবন্তীঃ ওয়াও,,[বলেই আমাকে জরিয়ে ধরে একটা চুমু দিলো]
আম্মুঃ উহুমম,,এখানে কেউ একজন আছে,
।
আম্মুর কথা শুনে অবন্তী আমাকে ছেরে দিয়ে নিজ দিকে তাকিলো,,মেয়েটা লজ্জা পেয়েছে 😁😁,,,আমি রুমে চলে আসলাম,,,টিভিটা ছেরে দিয়ে দেখতে লাগলাম,,আহহা কি ডাইলোকই না মারলো,,, ইনস্পেকটর চিমগ্রাম এর ডাইলোক গুলো আমার দারুন লাগে,,,মোটু পাতলু দেখছিলাম তখন অবন্তী রুমে আসলো,,
।
আমিঃ কি হলো চলে আসলে যে,,
অবন্তীঃ এমনি,,আর তুমি এগুলো কি দেখো,কি পঁচা
আমিঃ ঔইই,,,আমাকে যা বলার বলো কিন্তু মোটু পাতলুর ব্যাপারে কিছু বলবে না ওকে😋😋
অবন্তীঃ বলবো ১০০ বার বলবো,,,এগুলো দেখার কিছু হলো,,,ইই কি পঁচা কার্টুন,,[বলেই টিভি বন্ধ করে দিলো]
আমিঃ এই এটা লাস্ট সিন ছিলো তো বন্ধ করলে কেনো,?
অবন্তীঃ আমার ইচ্ছা,আম্মু খেতে ডাকছে চলো।
আমিঃ ওকে।
।
তার পর সবাই সকালে খেয়ে নিলাম,,শুনছি বিয়ের পরদিন নাকি শশুর বাড়ি যেতে হয়,,একটু পর অবন্তীর বাড়িতে চলে গেলাম,,আপনারা তো জানেননি অবন্তী আর আমার বাড়ি এক সাথেই।
অতঃপর চলে বসলাম শশুর বাড়ি আহহহ কি আদরই না করলো,,অবন্তীর বাড়িতে একদিন থেকে আমাদের বাসায় চলে আসলাম,,রাতে রুমে বসে আছি তখন,,,
।
আমিঃ কোথায় যাচ্ছো?
অবন্তীঃ আম্মুর কাছে।
আমিঃ ওও
।
অবন্তী চলে গেলো আর আমি ফেসবুকে চ্যাট করতে লাগলাম।কিছুক্ষন পর অবন্তী আসলো।
আমিঃ এত দেরি করলে কেন।
অবন্তীঃ মা বাবা কে খেতে দিছিলাম।
আমিঃ একটা আদর্শবান স্ত্রী তার স্বামিকে জান্নাতে নিতে পারে জানো।
অবন্তীঃ হুমমম এখন থেকে নামাজ পরবো।।আর কারও সাথে মিশবো না(বলেই জরিয়ে ধরলো)
আমিঃ হুমমম।এখন হয়ে যাক তাহলে ওয়ান ডে ম্যাচ।
অবন্তীঃ ওরে আল্লাহ ওয়ানডে না টি টুয়েন্টি।
আমিঃ হাহাহা কেন।
অবন্তীঃ ওয়ান ডে তো অনেক বড়।আমি পারবো না।
আমিঃ হাহাহা ওকে টি টুয়েন্টিই খেলবো।
অবন্তীঃ হুমম।তবে আমার কিন্তু ছেলে চাই।
আমিঃ উমম, মেয়ে হবে একটা ফুটফুটে রাজকন্যা
অবন্তীঃ না,,ছেলে হবে,,।
আমিঃ না মেয়ে হবে,।
অবন্তীঃ ওকে বাবু মেয়েই হবে।
আমিঃ হু,,আর মেয়ের নামও ঠিক করে রাখছি।
অবন্তীঃ তাই বুঝি,,তা মেয়ের কি নাম রাখবে?
আমিঃ আমাদের রাজকন্যার নাম রাইসা রাখবো কেমন হলো নামটা রাইসা?
অবন্তীঃ অনেক সুন্দর নাম।
আমিঃ হু,,রাজকন্যা আনার মিশন তাহলে চালু করি কি বলো?
অবন্তীঃ আমি কি মানা করছিনি।
#কমেন্ট______________________________________A
#কমেন্ট______________________________________S
তারপর আমি আর অবন্তী রাইসাকে আনার জন্য টি টুয়েন্টি খেলা শুরু করলাম,,,আরে এখনো এখানে কি করছে যান যার যার বাড়ি গিয়ে এখন মুড়ি খান,, ও সরি এখনতো সবাই রোজা যাই হোক সবাই মসজিদে যান আর বেশি বেশি করে আমল করেন,,"",,"",,"",,'জানি #গল্পটা_ভালো ছিলো না,,তবুও অনেকেই আমাকে অনেক সাপ্ট করছে যার জন্য তাদের আমার তরফ থেকে অনপক অনেক অনেক ধন্যবাদ,,,আজ তো #গল্প_শেষ এখন তো যারা লাইক কমেন্ট করেননি তারা লাইক কমেন্ট করেন দেখি একটু আপনাদের মুখ খানা,,,যাই হোক সবার #লাইক_কমেন্ট আসা করছি,,, #
।
ইফতারের সময় যখন রোজাদার ব্যক্তি আযানের অপেক্ষা করে... তখন আল্লাহ্ তায়ালা শয়তানকে ডেকে বলেন দেখো আমার বান্দা যাকে তুমি নাফরমান বলেছো তার কানে যতক্ষণ পর্যন্ত আমার নাম না পৌছাবে ততক্ষন সে এক লোকমা খাবার মুখে দেবে না। ঠিক এই সময় আমার বান্দা যদি আমার কাছে কিছু চায় তাহলে আমি তা অবশ্যই পুরা করবো.. সুবাহানাল্লাহ্...
"""""
"""""
........#সমাপ্তি


No comments:
Post a Comment