Post Top Ad

Post Top Ad

ধর্ষক

ধর্ষক//part_13//


#লেখক_আসিফ

পরের দিন কলেজে আশার সাথে দেখা হতেই,,
-- আশা তুমি কাজটা ঠিক করো নাই,,,আপুকে কেন এইসব বলছো?(আমি)
-- আপু তোমার নামে উল্টা পাল্টা বলছিল তাই।(আশা)
-- বলতো,,,এখন ত আপুর চোখে,,,নিজের স্বামী,,আর আদরের বোন খারাপ হয়ে গেলো। (আমি)
-- তোমাকে নিয়ে এত খারাপ ধারনা ছিল তাতে কোনো সমস্যা নাই,,,এখন স্বামী আর বোন খারাপ হয়ে যাবে সেই চিন্তা করছো?আমাদের হাতে যদি প্রমান থাকতো তোমার আশা না করেই সব কিছু পরিস্কার করে দিতাম।।(আশা রাগী কন্ঠে বললো)
-- আশা,,,সুনো,, সব কিছুতে জয়ী হতে হয় না।।।কিছু ত্যাগে অসামান্য প্রশান্তি পাওয়া যায়।।আমি সেই আনন্দ,,,সেই প্রশান্তি খুজে পাচ্ছি।।ভুগে নয় ত্যাগেই শান্তি।।(আমি)
-- অবশ্য ঠিক আছে কিন্তু তোমার মত ত কেউ এমন ত্যাগ করবে না?অন্য কেউ হলে হয়ত করতো ও না?(আশা)
-- এই পৃথিবিতে অনেক মহা মানব আছে যারা। মানুষের ভালোর জন্য নিজের জিবন ত্যাগ করে দিয়েছে।।আমি ত সামান্য একটা ত্যাগ করছি?(আমি)
-- বুজেছি তোমার সাথে কথায় পারবো না,,,ক্লাস করবা না চলো।।(আশা কথা না বলে ক্লাস করতে চলে গেল)
রিমি আজও কলেজে আসে নাই,,,,।ক্লাস শেষ করে । বাসায় চলে গেলাম।।তার পর ফ্রেশ হয়ে আংকেলের অফিসে।।অফিসে একটা বড় ভাই আছে রাতুল বলে নাম।তবে আমাকে অনেক ভালোবাসে । কোনো কাজে আটকে গেলে রাতুল ভাই দেখিয়ে দেয়।।
কাজে ফাক পেয়ে রাতুল ভাইয়ার কাছে ছুটলাম।।রাতুল ভাই আমাদের অফিসের এক আপুকে ভালোবাসে।।কিন্তু বলতে পারে না। রাতুল ভাইয়া একটু চাপা স্বভাবের লাজুক টাইপের ছেলে। ভাইয়ার সাথে কথা বললেই মনে আনন্দ লাগে।। তাই প্রতিদিন সুযোগ পেলেই চলে যাই ভাইয়ার কাছে।।রাতুল ভাই ফ্রি হলে আমার কাছে আসে।।
-- ভাইয়া কি করছেন?(রাতুল ভাইয়া কাগজে কি যেন লিখছে)
-- আরে আসিফ আসো বসো?( রাতুল ভাই)
-- কি করছেন? (বসতে বসতে আর কি লিখছে দেখার জন্য চোখ রেখে)
-- আজ নীলাকে প্রপোজ করবো?(রাতুল ভাইয়ার কথা সুনে আমি অবাক। যেই ভাই নীলা আপুর সামনে দাড়াতে পারে না ওনি নাকি প্রপোজ করবে কেমনে সম্ভব)
-- ভাইয়া সব কিছু ঠিক ঠাক আছে ত?(মজা করে)
-- দেখ লেখাটা কেমন হচ্ছে?( রাতুল ভাই)
-- চরম,,,এই টা পড়ার পর নীলা আপু আপনার লেখার প্রেমে পরবে নিশ্চিত।(আমি)
-- সত্যি,,,রাজি হলে যা খেতে চাইবি সব পাবি?(খুশিতে)
-- লেখাতো শেষ কখন দিবা,,,অই যে আপু ফ্রি মনে হচ্ছে যাও এখনি দিয়ে আসো?(নীলা আপু রাতুল ভাইয়ার সামনের টেবিলেই বসে)
-- অকে যা,,,,দিয়ে আয় তুই?(রাতুল ভাইয়ার কথা সুনে মাথায় কি যেন পরলো?>
-- কেন আমি কেন তোমার প্রেমিকা তুমি দিয়ে আসো?(আমি)
-- আমি কি করে দিব,,,আমার ত লজ্জা করে,, আর তুই ছোট আসিস,,, সমস্যা কি?(রাতুল ভাই)
-- ভাই আমি ছোট,,??বয়সে বেশি হলে নীলা আপুর থেকে ২ বছরের ছোট হবো । আর নীলা আপু যদি মাইন্ড করে আংকেলল কে বলে দেয় আমার কি হবে বুজতে পারতেছেন?(আমি)
-- আরে কিছু মনে করবে না।তোকে ত অফিসে সবাই ছোট ভাই বলে ডাকে।আর নীলার সাথেও তোর ভাব ভালো।।কাজ টা তোকেই করতে হবে।(রাতুল ভাই)
-- ভাই মাফ করেন,,,আমি পারব না আংকেল জানতে পারলে বাসা থেকে বের করে দিবে(আমি)
-- আসিফ তোকে ছাড়া আর কাউকে দিয়ে দেওয়া সম্ভব না।নীলা তুই ছাড়া এই অফিসের কারো কাছে তেমন কথা বলে না।প্লিজ হেল্প টা কর?(রাতুল ভাই)
-- আচ্ছা এত করে যখন বলছেন দেন।যা হবার হবে?(আমি)
-- ধন্যবাদ আসিফ(উত্তেজিত হয়ে)
কাগজটা নিয়ে নীলা আপুর কাছে গেলাম।
-- আপু আসতে পারি?(আমি ভয়ে ভয়ে)
-- আরে আসিফ তুমি আসো?(নীলা আপু হাস্যজ্জল মুখ নিয়ে।কাগজ টা দেওয়ার পর সেই হাসি টা থাকে কিনা কে জানে)
-- আপু কেমন আছেন?(কাজের কথা বলতে হাটু কাপছে)
-- ভালো,,,আসিফ কিছু বলবা?(নীলা আপুপু হয়তো বুজতে পারছে)
-- না মানে,,,এটা আপনার জন্য?(কাগজটা হাতে দিয়ে)
-- কি এটা?(নীলা আপু)
-- প্রেম পত্র হা অথবা না বলেন দয়া করে আংকেল কে বলবেন না প্লিজ।আংকেল জানতে পারলে,,অফিস প্লাস বাসা থেকে বের করে দিবে?(আমি ভয় নিয়ে বললাম)
-- তুমি আমাকে প্রেম পত্র দিয়েছো,,,(চিন্তার ভাব নিয়ে)
-- না মানে আমি? (কিছু বলতে পারি নাই)
-- দাড়াও কথা পরে বলো,,আগে পড়ে দেখি কি লেখছো?(নীলা আপু আমাকে থামিয়ে দিয়ে,)
-- নীলা আমি আপনাকে অনেক ভালোবাসি। কিন্তু লজ্জার কারনে বলতে পারছি না।আমার মনে অনেক ভয় আপনি রাগ করেন কিনা?(নীলা আপু এটুকু পড়ে আমার দিকে তাকালো)
আমি অপরাধীর মতো দাড়িয়ে আছি।।
-- তবে আজ সাহস জুগিয়ে বলে দিলাম।এখন আপনি আমার ভালোবাসার মুল্য দিবেন নাকি দিবেন না এটা আপনার ব্যপার?(আপু আবার তাকালো)
-- আপু শেষ করেন?(আমি)
-- শেষ করতে হবে না,,,।যা বুজার বুজে নিয়েছি?(নীলা আপু)
-- এখন কি ধরে নিব প্রেমটা হচ্ছে?(আমি)
-- আচ্ছা একটু ভেবে বলছি?(আপু দেখি রাগ করে নাই।তার মানে রাতুল ভাইয়ার প্রেম টা হচ্ছে)
-- আচ্ছা তা হলে আমি এখন যাই,,(আমি যাওয়ার জন্য পা বাড়ালাম।)
-- আসিফ সুনো,,ভাবা হয়ে গেছে।আমি রাজি?(নীলা আপু)
রাতুল ভাইয়ার প্রেম টা হয়ে গেছে।দৌরে চললাম রাতুল ভাইয়ার কাছে বিরিয়ানি খাবো আজ।।
-- ভাইয়া,,কাজ হয়ে গেছে।নীলা আপু রাজি হয়ে গেছে।এখন আমি জা চাই তা খাওয়াবা?(আমার কথা সুনে রাতুল ভাই যেন আকাশে উড়ছে)
-- বলিস কি নীলা রাজি হয়ে গেছে,,,আজ ইনভাইট কর রাতে খাবার খেতে খেতে কথা বলবো?(বুদ্ধিটা খারাপ দেয় নি।)
নীলা আপু সামনের টেবিল থেকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছে।এদিক দিয়ে রাতুল ভাইয়া ত দিশেহারা।।
নীলা আপুকে রাত ৮ টায় একটা রেস্টুরেন্ট এ ইনভাইট করলাম।।আমিও খাবার খাবো।আর রাতুল ভাইয়া নীলা আপু প্রেম করবে?ভালো লাগছে কারো প্রেমে ঘটক হয়ে?
রাতে চলে গেলাম রেস্টুরেন্টে খাবার খাবো।আর রাতুল ভাইয়া নীলা আপুর প্রেম দেখবো।
নীলা আপু আগে আগেই বসে আছে।রাতুল ভাইয়া হয়তো সাজ গুজে ব্যস্ত।ফোন করলাম বললো নিচে আছে আসতেছে?
-- হায় নীলা আপু কেমন আছেন?একটু দেড়ি হয়ে গেল রাগ করেন নি ত?(আমি আপুর সামনে বসতে বসতে বললাম)
-- ভালো,,,তুমি,,,(নীলা আপু)
-- আমি তো খুব ই ভালো আপনি প্রেমে রাজি হয়েছেন?(আমি ত আজ পেট ভরে যা ইচ্ছা খাবো রাতুল ভাইয়ার পকেট ফাকা করবো)
-- আসিফ তুমি আমাকে আপনি করে না বলে তুমি করে বলবা,,আর আপুওওওওও?(আপুর কথার মাঝখানে রাতুল ভাইয়া চলে আসলো)
-- হায় নীলা কেমন আছো?(রাতুল ভাইয়া)
-- ভালো আপনি?(বিরক্তি ভাব নিয়ে)
-- ভালো। বসতে পারি?(রাতুল ভাইয়া।)
-- বলার কি আছে বসেন?(আমি)
-- রাতুল ভাইয়া এখানে আসার কি দরকার ছিল?(মুখ চেপে বললো নীলা আপু)
আপুর কথা সুনে,,কেমন যেন মনে হলো,।দেখা ত রাতুল ভাইয়ার সাথেই করবে।আমি না হয় কাবাব মে হাড্ডি।তবে রাতুল ভাইকে কেন মনে করছে?চিন্তায় পরে গেলাম।
-- তোমরা কিছু অর্ডার করো নাই?(রাতুল ভাইয়া)
-- আপনার জন্য অপেক্ষা করছি ভাইয়া।।(আমি)
তবে নীলা আপুর মুখে বিরক্তির ভাব।
-- আচ্ছা তোমরা বসো আমি খাবার অর্ডার দিয়ে আসছি।(রাতুল ভাইয়া উঠে গেলো)
-- আসিফ এটা কি হলো?রাতুল ভাইয়া এখানে কেন?(নীলা আপু কথায় কিছু ঘোলমাল মনে হচ্ছে)
-- কি বলেন আপু,,রাতুল ভাইয়াই ত আমাদের ইনভাইট করছে।বলছে আপনি প্রেমে রাজি হলে আমি যা চাইবো তাই খেতে পারবো।(আমি)
-- বুজলাম না প্রেম করবা তুমি,,রাতুল ভাই খাওয়াবে মানে?(নীলা আপুর কথা সুনে মাথায় আকাশ ভেংগে পরলো)
আবার কি উপকার করতে গিয়ে বিপদে পরলাম???
--আপু আপনি চিঠিটা ঠিক মতো পড়েছেন তো(আমি)
-- হুম কেন?(আপু)
-- মনে হচ্ছে কোথাও ভুল হচ্ছে।আবার একটু দেখুন প্লিজ?(আমি)
-- কি ভুল হচ্ছে?(আপু)
-- চিঠি আমি না রাতুল ভাইয়া দিছে।আর রাতুল ভাইয়া আপনাকে অনেক ভালোবাসে?(আমি)
-- ফাজলামো করো?(চিন্তার বাজ নিয়ে)
-- না আপু ফাজলামো করবো কেন কাগজে লেখা টা পড়েন আবার,,,?( আমার কথা সুনে আপু কাগজটা ব্যাগ থেকে বের করে মনে মনে পড়লো)
-- তাই তো,,,,,আমি ত শেষের লেখা টা পড়িনাই।তুমি যেভাবে বলছো।আর যেই ভাবে লেখা ছিল।যে কেউ ভাববে তুমিই প্রপোজ করছো?(নীলা আপু)
-- আমার জন্য না হয়,,হা বলছিলেন।।রাতুল ভাইয়ার জন্য?(আমি)
-- রাতুল ভাইয়া ত আমার ক্রাশ,(আপুর কথা সুনে আনন্দ রাখি কই,,যাক কোনো সিনক্রেয়েট হয় নাই)
রাতুল ভাইয়া অর্ডার দিয়ে চলে আসছে।আমি ভাইয়াকে বললাম।
-- ভাইয়া আপনারা কথা বলেন,,আমি অই টেবিলে আছি।আমার ত আজ খাবার দিন?(আমি অন্য টেবিলে চলে গেলাম)
সাথে,,রিমি আর আশাকে ফোন দিলাম,,।রেস্টুরেন্টে আসার জন্য,আমি একা খেলে খারাপ দেখায় তাই।।
৫ মিনিটের মধ্যে ওরা এসে হাজির,,।।
-- আসিফ,,আজ হঠাৎ ডাকলা?(আশা)
-- আজ তোমাদের খাওয়াবো,,যত ইচ্ছা যা ইচ্ছা খাবে।(আমি)
-- আগে বলোনি কেন?(রিমি)
-- এটা ত সারপ্রাইজ ছিল?(আমি)
-- যাক ভালোই হইছে আমি মাত্র খেতে যাচ্ছিলাম?(রিমি)
-- আমাকেও ডেকে গেছিল ভাবি?(আশা)
-- আচ্ছা কথা রাখো,,এবার খাও,,,?(আমি)
আমাত ইচ্ছা মতো আমি খাচ্ছি,,,রিমি আশা তাদের ইচ্ছা মতো,,।
-- কিসের উপলক্ষে আসিফ?(আশা)
-- আগে খাও তার পর যেতে যেতে বলছি?(আমি খাবার সময় কথা বলতে পছন্দ করি না।)
খাওয়া দাওয়া শেষ করে,,,রাতুল ভাইয়া আর নীলা আপুর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে,।রিমি,,,আশাকে নিয়ে চলে আসলাম।। আমাদের বিল মিনিমাম ৫০০০ হবেই।ভাইয়া হয়ত এত টা আশা করে নাই।আর আমাদের দিকে তাকানোর সময় ছিল না।।প্রেমে ডুবে ছিল।হয়তো রিমি,,আশাকে দেখেই নাই?
রেস্টুরেন্টে থেকে বের হয়ে হেটেই চলছি।।।
-- আসিফ বললা না ত কিসের উপলক্ষে ট্রিট দিলা?(আশা)
-- অহ,,,বলা ত হয় নাই।।আমাকে দেখলা না একটা আপু আর ভাইয়ার সাথে কথা বলে চলে আসলাম?(আমি)
-- হুম,,ওরা কারা?(রিমি)
-- অফিসের বড় ভাই।আর বড় আপু।তাদের প্রেমের ঘটক ছিলাম।আমি তাই ভাইয়া বলছিল আজ যা চাই তাই খেতে।আমার মনে হলো আমি একা খেলে পুষাবে না।তাই তোমাদের ডেকে নিলাম?(হেসে হেসে বললাম)
-- তাই নাকি যেই খাবার খাইছি আজ বিল আসবে ৫০০০ (আশা হাসতে হাসতে)
-- আসিফ এটা ঠিক করো নাই।(রিমির চোখে বেঠিক হয়ে গেলো?)
-- কেন? আমরা তো জোর করে খাই নাই।আমাদের খাইয়েছে?(আমি)
-- না তোমাকে শুধু বলেছিল খেতে আমাদের না?(রিমি)
-- আচ্ছা দাড়াও,,(মোবাইল্টা বের করে রাতুল ভাইকে ফোন দিলাম)
-- হ্যলো আসিফ বল?(রাতুল ভাইয়া)
-- ভাইয়া,,,বিল টা কি বেশি চলে আসলো?(আমি)
-- আরে যেই কাজ করে দিছিস।আরো একদিন ইচ্ছা মতো খাবি সমস্যা না। ,কিন্তু তুই এত খাবার খেলি কি করে?(রাতুল ভাই)
-- সরি ভাইয়া আপনাকে বলা হয় নাই,,সাথে গার্ল্ফ্রেন্ড আর বান্দবি ছিল। (আমি)
--আমার সাথে দেখা করাস নি কেন?(রাতুল ভাইয়া)
-- আপনি তখন নীলা আপুর সাথে প্রেম করতেছিলেন?(আমি)
-- আচ্ছা একদিন দেখা করাইস?(রাতুল ভাই)
--আচ্ছা ভাইয়া,,বায় পরে কথা হবে?(আমি)
-- আচ্ছা দোয়া করিস আমার জন্য(রাতুল ভাই)
ফোন রেখে রিমিকে বললাম।
-- রিমি এবার ত বলে খেলাম,,সমস্যা নাই ত?(আমি)
-- ঠিক আছে,,,এবার চলো(রিমি)
আশাদের বাসার সামনে চলে এসেছি।
-- আসিফ চল ভাবির সাথে দেখা করে আসবি?(আশা তাদের বাসায় যেতে বললো)
-- আজ না,,অন্যদিন,,,আজ পেট ভরে আছে?(আমি)
--তোরা ত দেখা করবি,,খেতে কে বলছে?(আশা)
-- শুধু দেখা করলে হবে? আচ্ছা যা কাল দেখা করবো অনেক রাত হইছে?(আশার থেকে বিদায় নিয়ে বাসায় চলে গেলাম)
ফ্রেশ হয়ে ঘুমুতে গেলাম।।।রাতে অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন?
-- হ্যালো আসসালামু আলাইকুম কে বলছেন?(আমি)
-- আসিফ আমি তোমার ভাবি।।(প্রায় ১ বছর পর ভাবির ফোন কিন্তু নাম্বার পেলো কোথায় থেকে)
.
.
চলবে,

Related Posts

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad