Post Top Ad

Post Top Ad

সিরিয়ার আপুর রোমান্টিক অত্যাচার

সিরিয়ার আপুর রোমান্টিক অত্যাচার পর্ব 7

লেখক: নীল

আমিঃ তোমার বুকের তিল টা।

রিমিঃ ওই ফাজিল তুই দেখলি কিভাবে।

আমিঃ যখন তোমার শাড়ির আচল পরে গেছিলো

তখন দেখছি।

রিমিঃ আর একটা কথাও বলবি না আমার কিন্তুু

অনেক লজ্জা করতাছে।

আমিঃ ওকে।

তারপর আমরা কলেজে চলে গেলাম।

দেখি জয় আর রাজু আরো কিছু ফ্রেন্ড কলেজ

গেটে বসে আছে। তারপর আমাদের দেখে ওরা

এগিয়ে আসলো।

এগিয়েই এসেই জয় বললো

জয়ঃ এটাই তাহলে আমাদের ভাবি।

আমিঃ ভাবি মানে?

জয়ঃ আর ভাব দরতে হবে না যে ভাবে

চিপকাচিপকি কইর আসছো সবাই

বুজে যাবে তোমাদের রিলেশন আছে।

আমিঃ হুম।

রিমি পরিচিত হও আমার ফ্রেন্ড জয় আর রাজু।

রিমিঃ কেমন আছেন ভাইয়ারা?

জয়ঃ ভালো,

আপনি?

রিমিঃ অনেক ভালো।

রাজুঃ দেখেন ভাবি আপনি আমাদের বড়

ত আমাদের তুমি করে নাম দরে ডাকলে

খুশি হবো।

রিমিঃ ওকে।

আমিঃ তরা ক্যম্পাসে ওয়েট কর আমি পিন্সিপালের রুম থেকে আসতাছি।

জয়ঃ ওকে।

আমিঃ আমি এই নে বাইকের চাবি পার্ক করে রেখে দিস।

তারপর আমি আর রিমি কলেজের ভিতরে

ডুকলাম অনেক স্টুডেন্ট এর দৃষ্টি আমাদের দিকে।

সবাই একভাবে তাকিয়ে আছে।

রিমিঃ ওই সবাই ওরকম ভাবে তাকিয়ে আছে কেন?

আমিঃ সবাই হয়তো অবাক ই হয়েছে।

রিমিঃ কেন?

আমিঃ কারণ আমি কখনো কোনো মেয়ের সাথে কথা বলি না,, আর আজকে তোমাকে বাইকে করে

নিয়ে আসছি,, আবার তুমি আমার হাত দরে আছো

এতে ত অবাক হওয়ার ই কথা।

রিমিঃ ওহ্

তারপর আমি আর রিমি পিন্সিপালের অফিসে গেলাম।

আমিঃ আসসালামু ওয়ালাইকুম,

আসতে পারি স্যার?

পিন্সিপালঃ ওয়ালাইকুম আসসালাম।

আরে নীল বাবা যে ভীতরে আসো।

আমি আমি আর রিমি ভিতরে গেলাম।

পিন্সিপালঃ বসো তোমার আব্বু গতকাল রাতেই

আমাকে ফোন দিয়েছিলো সব কিছু রেডি করে

রাখছি শুদু একটা সাইন করো মামনি।

তারপর রিমি আপু সাইন করে দিলো।

তারপর আমরা পিন্সিপালের রুম থেকে

বাহির হয়ে ক্যন্টিনে চলে গেলাম জয় আর

রাজুর কাছে।

রিমিঃ তোমাদের যা ইচ্ছা তোমরা খাও।

সব বিল আজকে আমি দিবো।

তারপর জয় আর রাজু আরো কিছু ফ্রেন্ড

ইচ্ছারকম খেতে লাগলো,,সালারা সব কইটায় ই

পেটুক মনে হয় কদিন দরে যেনো না খেয়ে আছে।

তারপর ওদের খাওয়া শেষ হলো।

আমিঃ তরা ক্লাসে যা আমি আসছি।

রাজুঃ তুই ক্লাস করবি?

আমিঃ হুম একটা করবো যা তুই আসতাছি।

রাজুঃ ওকে।

আমিঃ তুমি বসো আমি বিল দিয়ে আসছি।

রিমিঃ বেশি বুজস তাই না। তুই টাকা পাবি

কোথায় আমি দিচ্ছি।

আমিঃ আমি থাকতে তুমি কেন টাকা দিবা?

রিমিঃ এই এখন ত তুমি কিছু করো না,

যখন জব করবা তখন না হয় শুধ করে দিও

আমিঃওকে।

রিমিঃ যদি তাও না পাড়ো তাহলে বাসায় গিয়ে একটু আদর করবা তাই হবে।

আমিঃ সারাদিন ই শুদু আদর আর আদর।

রিমিঃ হুম।

তারপর রিমি আপু বিল দিয়ে আসলো।

আমিঃ আপু তুমি ক্যম্পাসে বসো আমি একটা ক্লাস করে আসি।

রিমিঃ আজকে ক্লাস না করলে হয় না।

আমিঃ ক্লাস টা খুব গুরত্বপূর্ণ করতেই হবে।

রিমিঃ ওকে আমি বসছি তুই যা।

আমরা কথা বলছি তখনি হিয়া আপু আসলো।

হিয়া আপু হলো রাজুর বড় বোন অনার্সে পড়ে।

হিয়া আপুঃ নীল এটা কে?

আমিঃ আপু এটা হলো,

হিয়াঃ বুজছি তর গার্লফ্রেন্ড বুজি।

আমিঃ হুম।

রিমি পরিচিতো হও ইনি হলেন রাজুর বড় আপু হিয়া আপু,,আর হিয়া আপু ও হচ্ছে রিমি।

রিমিঃ হাই,

হিয়াঃ হ্যলো।

রিমিঃ কেমন আছেন?

হিয়াঃ ভালো আপনি?

রিমিঃ ভালো।

তারপর হিয়ার আপুর বলে বাসায় দরকার আছে

এই বলে চলে গেলো।

তারপর আপু কে শহীদ মিনারে বসিয়ে রেখে

আমি ক্লাসে চলে গেলাম।

আমি বসেছি জানালার কাছে এখান থেকে রিমি

কে দেখা যায়,, রিমি বসে বসে ফোন চালাচ্ছে।

আমি একবার স্যারের দিকে তাকাচ্ছি আরেকবার

রিমির দিকে তাকাচ্ছি তখনি স্যর বললো।

স্যারঃ নীল কোনো সমস্যা।

আমিঃ না স্যার।

স্যারঃ তাহলে বার বার ভাহিরে তাকচ্ছো।

আমিঃ এমনি স্যার।

স্যারঃ ক্লাসে মনোযোগী হও।

আমিঃ ওকে স্যার।

তারপর বাহিরের দিকে তাকিয়ে দেখি।

অনার্সের তিন জন ছেলে রিমি আপুর কাছে গেলো। আর যারা গেলো তারা একটাও ভালো না।

আমি সাথে সাথে স্যার কে কিছু না বলেই ক্লাস থেকে বাহিরে আসলাম। আমার পিছনে জয় রাজু আরো অনেক ফ্রেন্ড ই এসেছে।

ওরা বুজে গেছে

এভাবে আমি হুট করে যখন বের হয়ে আসছি।

তাহলে নিশ্চি কোনো জামেলা আছে।

দুর থেকে দেখেই বুজা যাচ্ছে ছেলেগুলো রিমি আপুকে টিজ করসে। আমি ওদের পিছনে

গিয়ে দারালাম। দেখি রিমি আপু কেঁদে দিছে।

তারপর আমি যা শুনলাম তা শুনে ত আমার

মাথায় রক্ত উঠে গেছে।

#চলবে

Related Posts

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad