লেখক -- তানভির
আম্মুঃ অবন্তীর আম্মুকে এখন কি ভাবে বলবো,?
আমিঃ অবন্তীর আম্মুকে কেনো বলতে যাবে?
আম্মুঃ ওই তুই চুপ থাক,,একটা কথায় বলবি না।
আমিঃ……
আব্বুঃ তুমি অবন্তীর আম্মুকে একটু বুঝিয়ে বললেই,,সে ঠিক বুঝতে পারবে।
আম্মুঃ হু,,,তোর জন্য আমার বন্ধাবীর কাছে ছোট হতে হচ্ছে।
আমিঃ আমি আবার কি করলাম।
আম্মুঃ চুপ,,
আমিঃ আপু,,,আম্মু-
আব্বু কি বলছে,,বুঝতে পারছিনা আর অবন্তীর আম্মুকেই বা কি বলবে।
আপুঃ আরে গাধা অবন্তীর সাথেই তোর বিয়ে ঠিক করছে,,আর তুই বিয়ে করবি না,,,তাহলে ওর আম্মুর সাথে কথা বলতে হবে না,,বিয়ের ব্যাপারে।
আমিঃ কিককক,,
অবন্তীর সাথে বিয়ে আমার।
আপুঃ হু।
।
যা নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মারছিলাম,,আর একটা কথা বলা হয়নি,,,অবন্তীর আম্মু আর আমার আম্মু ছোট বেলার খেলার সাথি ছিলো,,মানে তারা বন্ধবী।
না যে ভাবেই হোক সব কিছু আবার ঠিক করতে হবে।
।
আমিঃ ঠিক,, আছে বিয়েতে আমি রাজী।,,।
।
কি ব্যাপার তোমরা এভাবে তাকিয়ে আছো কেনো।বিয়েতে রাজী হওয়ার কারনে দেখি সবাই কেমন করে যেনো তাকিয়ে আছে,,মনে হয় কোনো কিছু ভুল করছি।
।
আমিঃ দেখ,,,আমি চাইনা৷ আমার জন্য আমার আম্মু অন্যের কাছে ছোট হোক তাই বিয়েতে রাজি হয়ছি,,নাইলে কখনোই বিয়েতে রাজী হতাম না,,আমি চাই না আমার জন্য সবার মন খারাপ হোক।
আব্বুঃ কিন্তু তুই না একটু আগে বললি,,বিয়ে করবি না।
আমিঃ হু হয়তো বলছিলাম,,
আব্বুঃ কিকক ,
আমিঃ হু,,তাইতো। আমি কি তোমাদের কথা কখনো ফেলছি বলো,,,তোমরা যা বলবে তাই হবে?
আম্মুঃ না,,এই বিয়ে এখন আর হবে না।
আমিঃ কিকক,,,কেনো হনে না।
আম্মুঃ জানি না,,তবে বিয়ে হবে না ব্যস।
আমিঃ ও আম্মু তুমি না,,,আমার সোনা আম্মু আমার সাথে এমনটা করতেই পারো না।
আম্মুঃ আমি সব পারি,,,বিয়ে হচ্ছে না এখন।
আমিঃ এ্যা এ্যা এ্যা।
আম্মুঃ ওই ন্যাকামো করা বাদদে।যখন বিয়ের কথা বললাম তখন তো বিয়ে করবি না বলে দিলি,, এখন আবার বিয়ে করতে চাচ্ছিস কেনো।
আমিঃ তখন তো জানতাম না,,,অবন্তী সাথে বিয়ে।
আম্মুঃ বাহহ,,ভালোতো যখন অবন্তীর নাম শুনলি তখুনি রাজী হয়ে গেলি,,প্রথমে তো বিয়েই করবি না বলে দিলি।
আমিঃ আজব আমি জানতাম নাকি অবন্তীর সাথে বিয়ে তা ছাড়া আমি অবন্তীকে ভালোবাসি,,,,[এই যা কি বলতে গিয়ে কি বলে ফেললাম,৷,এখন কি হবে]
আম্মুঃ কি বললি তুই?
আমিঃ ন,না,,ম মা মান মানে,,,,
আম্মুঃ কি মানে মানে করছিস,,,
আমিঃ না মানে হয়েছে কি,,,
আম্মুঃ ওই বলবি না জাটা পেটা করবো।
আমিঃ এ্যাএ্যা,,তুৃমি আমাকে মারবে,,এ্যাএ্যাএ্যা
আম্মুঃ ওই কান্না বন্ধ কর, দেখ তুই এখন না বললে,,,সত্যিই তকে মারবো,,
।
মারের ভয়ে সব কিছু বলে দিলাম,,,সবাই দেখি কেমন রাগি লুক নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে,,,মনে হচ্ছে এখনি আমাকে খেয়ে ফেলবে সবাই,,,ভয়ে আমি নিজ দিকে তাকিয়ে আছি,,,কি করবো বুঝতে পারছি না,,হঠাৎ সবাই হেসে উঠলো,,,আমি উপরের দিকে তাকালাম দেখি সবাই হাসতেছে আর আমার দিকে তাকিয়ে। আমি কি জোকস মারছি নাকি এভাবে হাসতে হবে।
বুঝলাম না হাসির কি আছে?
।
আমিঃ তোমরা এভাবে হাসসো কেনো।
আব্বুঃ হাহাহা,,,
আম্মুঃ আমাদের বলিস নি কেনো,,এতো দিন।
আমিঃ ভয়ে বলতে পারিনি।
আম্মুঃ ঠিক আছে,,,তোর বিয়ে অবন্তীর সাথেয় হবে।
আমিঃ উম্মায়ায়ায়া,, থেককু ,,আম্মু
আম্মুঃ পাগল ছেলে।
আমিঃ আম্মু অবন্তী কি জানে বিয়ের ব্যাপারে।
আম্মুঃ হু,, তবে কার সাথে এটা জানে না৷
আমিঃ হু, আম্মু অবন্তীকে বলবে না ওর কার সাথে বিয়ে হচ্ছে।
আম্মুঃ কিন্তু,,
আমিঃ আম্মু,, প্লিজ প্লিজ
আম্মুঃ ঠিক আছে,,,বলবো না এবার খুশি।
আমিঃ হু,😊
।
তার পর সকালের খাবার খেয়ে,, কলেজের উদ্দেশে বের হলাম,,কলেজে আসতে লেট হয়ে গেছে আজ,,, যাই দেখি কি হয়।
।
আমিঃ স্যার আসতে পারি।
স্যারঃ দেরি হলো কেনো,,আসতে??
আমিঃ স্যার,,,ভিতরে এসে বলি।
স্যারঃ না,,যে পযন্ত বলবে না,,ভিতরেও আসতে পারবে না।
আমিঃ উউ,,স্যার কি বললো,,,আজ ৯ টা সময় বাড়ি থেকে বের হয়ছি।
স্যারঃ কি বলছো,,, আমি,যতো টুকু যানি তুমি ৯:৩০ টার আগে ঘুম থেকেই উঠো না।
আমিঃ না মানে,,স্যার আজ ৯ টায় উঠছি।
স্যারঃ ভালো,,কি জন্য দেরি করছো বলো।
আমিঃ স্যার
স্যারঃ হু,,বলো
আমিঃ স্যার বাহিরে থাকতে ভালো লাগছে না,,,ভিতরে এসে বলি।
।
আসলে আমি নিজেই দেরি করে আচ্ছি,,,এখন স্যারকে কি ওজুহাত দেবো,,ভেবে পাচ্ছি না তাই,,, স্যারকে উল্টা_পাল্টা বকছি,,মানে বলছি।
।
স্যারঃ না,,তুই ওই খান থেকেই বল।
আমিঃ কি বলবো স্যার,,কিছুই তো মাথায় আচ্ছে না।
স্যারঃ কিকক।
আমিঃ না স্যার৷ আসলে আপুকে ভার্সিটিতে দিয়ে আসতে একটু দেরি হয়েছে।
স্যারঃ ঠিক আছে,,,ভেতরে আয়।
আমিঃ জী স্যার,,।
।
শালার টেকলু কতো প্রশ্ন করে,,,একটা মাসুম বাচ্চাকে কেউ এই ভাবে প্রশ্ন করে,,থানায় মামলা করবো,,আমি টেকলুর নামে। যাই হোক ক্লাস করতে লাগলাম,,দুটো ক্লাস করে সবাই বাহিয়ে বেরহলাম,,,আরে ভাই আমার বন্ধুরা সবাই ক্লাস থেকে বের হয়ছি,,,ক্লাসের সবাই বের হলে,,,স্যার-ম্যাম পড়াবে কাকে,,,সিট-বেরাঞ্চি ও দেওয়ালকে তো আর পড়ানো যায় না।
কেম্পাসে বসে আছি,, হঠাৎ একটা মেয়ে এসে
জরিয়ে ধরলো,,হঠাৎ জরিয়ে ধরাতে কিছুটা হতভম্ব হলাম,,,একটু পর মেয়েটা আমাকে ছেড়ে দিলো,,আর আমার দিকে তাকালো,,আমি মেয়েটার মুখ দেখে,,,যেনো আকাশ থেকে পড়লাম,,,এটা কেমনে সম্ভব।
।।।
কে ছিলো মেয়েটি সেটা না হয় আগামি পর্বে পড়বেন কেমন।আর অনেকেই বলছে রোমান্টিক করে লিখতে,,,বললেই তো আর লেখা যায় না,,তার জন্য সময় লাগে,,যাই হোক কথা দিচ্ছি কাল রোমান্টিক গল্প দেবো,,আমার এক কথা ১০০ কথার সমান😋😋
।
।,,,,,,,#চলবে,,,,,,।
।


No comments:
Post a Comment