Post Top Ad

Post Top Ad

Ex girlfriend যখন অফিসের বস

Ex গার্লফ্রেন্ড যখন অফিসের বস পর্বঃ ১০



লেখকঃ শ্রাবন রায়

বিকালে জান্নাতকে ঘুম থেকে তুলে
ফ্রেশ করে বের হলাম বাইরে।
প্রথমে বিকাশ থেকে কিছু টাকা উঠালাম।
এরপর জান্নাত কে নিয়ে ওর পছন্দ মতো
কিছু জামা কাপর কিনলাম।
এরপর আমি আর আমার কিউট আপু
দুজনে মিলে কিছু খেয়ে নিলাম।
এরপর জান্নাত এর বাসায় গেলাম। সেখান থেকে বাসার মালিককে বলে
জান্নাত এর সব কিছু নিয়ে একটা গাড়ি করে বাসায় ফিরে এলাম। বাসায় আসতে আসতে রাত হয়ে গেছে।
গাড়ি থেকে সব কিছু নামিয়ে আমরা
বাসায় ঢুকলাম।
আমি- আপু আমরা আগে তোমার জিনিস
গুলো গুছিয়ে নি??
জান্নাত- হুম ভাইয়া।
আমি আর জান্নাত মিলে সব কিছু
গুছিয়ে নিলাম।
এরপর রাতে ঘুমানোর সময়।
আমি- আপু?
জান্নাত- হুম বলো
আমি- তুমি কোন ক্লাসে পড়??
জান্নাত- চতুর্থ শ্রেণিতে।
আমি- ওরে বাবাহ আমার আপু তো দেখি
অনেক বড়।
জান্নাত- 😊😊😊
আমি- আপু তোমায় আমি কালকে একটা
স্কুলে ভর্তি করে দিব ওকে।
জান্নাত- হুম ভাইয়া।
আমি- আমি জান্নাত এর মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে লাগলাম । কিছু সময় পরে জান্নাত ঘুমিয়ে গেল। তারপর আমি বাপ্পিকে ফোন দিলাম।
আমি- হ্যালো বন্ধু কেমন আছিস??
বাপ্পি- হুম ভালো। তুই??
আমি- হুম ভালো। কি করিস??
বাপ্পি- বসে আছি। তুই??
আমি- আমিও। আন্টি কেমন আছে??
বাপ্পি- মোটামুটি ভালো।
আমি- দোস্ত এদিকে একটা বিশাল ঘটনা ঘটে গেছে।
বাপ্পি- কি হয়েছে বল??
আমি- সব খুলে বললাম।
বাপ্পি- দোস্ত তুই তো একা ঢাকা শহরে মোটামুটি ভাবে চলিস। কিন্তু এখন যদি এই মেয়েকে রাখিস তাহলে ভেবে দেখেছিস কি হবে??
আমি- দোস্ত আমি কিছু জানি না। আমি ওকে আমার কাছেই রাখব। তুই ভেবে দেখ মেয়েটির কেউ নেই। আর যদি এটা তোর বোন হতো তাহলে তুই কি করতি??
বাপ্পি- সরিরে দোস্ত। আসলে তুই অনেক বদলে গেছিস। দোস্ত আই প্রাউড অফ ইউ।
আমি- হুম দোস্ত। ভালো থাকিস।
বাপ্পি- ওকে। আর জান্নাত এর খেয়াল রাখিস।
আমি- ওকে। এই বলে ফোন কেটে দিলাম। আমি আর কিছু কথা ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে গেলাম।
সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি জান্নাত আমায় জরিয়ে ধরে ঘুমিয়ে আছে। ঘুমন্ত অবস্থায় আমার আপুটাকে একদম বাচ্চা পরির মতো লাগতেছে। আমি ওকে না ডেকে আস্তে আস্তে উঠে ফ্রেশ হয়ে, সকালের খাবার বানাতে গেলাম।(সব কিছু অভ্যাস হয়ে গেছে এই এক বছরে)
এরপর জান্নাতকে ঘুম থেকে তুলে ফ্রেশ করে খেতে বসালাম। মহারানি আবার আমার হাত ছারা খাবেন না। তাই কি আর করার খায়িয়ে দিলাম মহারানিকে।
জান্নতকে নিয়ে রেডি হয়ে রওনা দিলাম
গার্লস স্কুলের দিকে।
সেখানে সব ফরমালিটি পূরন করে ভর্তি করিয়ে দিয়ে
আসলাম। আজ থেকেই নাকি ক্লাস করবে মহারানি। তাই ওকে রেখে বাসায় চলে এলাম। স্কুল ছুটি হবে ২ টার সময়।
আমি বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে। একটা ঘুম দিলাম। ঘুম থেকে উঠে দেখি ১.২৩ বাজে। আমি তারাতাড়ি ফ্রেশ হয়ে, বেড়িয়ে পরলাম জান্নাত এর স্কুলের দিকে। ১০ মিনিট এর ভিতরে পৌঁছে গেলাম (বাসার কাছেই স্কুল)
আমি কিছু সময় বসে থাকার পরে হটাৎ
কে যেন আমার চোখ বন্ধ করে ধরল।
আমার আর বুঝতে বাকি নেই এটা জান্নাত। আমি বললাম----+
আমি- আপু ক্লাস শেষ??
জান্নাত- চোখ ছেরে দিয়ে,,,, ভাইয়া তুমি কিভাবে টের পেলে??
আমি- আমার একমাত্র কিউট আপুকে আমি চিনব না তো কে চিনবে???
জান্নাত- হুম সেটাও তো। আমায় এখন কোলে নাও।
আমি- এখন??
জান্নাত- হুম
কি আর করার মহা রানিকে কোলে নিয়ে
হাটতে লাগলাম। রাস্তায় আইসক্রিম দেখে কিনে দাও। আমি কি আর পারি এই মহারানিকে না বলতে। তাই বাধ্য ছেলের মতো কিনে দিতে হল।
বাসায় আসতে ২.৩০ বেজে গেল। জন্নাতকে ফ্রেশ করে নিজের হাতে খায়িয়ে দিলাম।
বিকালে আপুকে নিয়ে আমি যেখানে কাজ করি সেখানে নিয়ে গেলাম।
আসলে এখানে এক বছর কাজ করি। তাই সবাই আমাকএ ভালোভাবে চিনে।
জিয়া(আমার সাথে কাজ করে)- ভাই এইটা কে???
আমি- ও হ.....আর কিছু বলার আগে
জান্নাত- ও আমার ভাইয়া
জিয়া- অহ,,(কেউ আমার পরিবার সম্পর্কে জানে না।)
এখানে জান্নাতকে নিয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছিলাম। এর পর ওকে বাসায় রেখে এলাম। আসার সময়---
আমি- আমার কিউট আপু রাগ করে না??
জান্নাত-.....
আমি- আপু আমি যাব আর আসব।
আপু-.......
আমি- আপু তুমি বই পড়তে থাক। আর আমি আসার সময় তোমার জন্য চকলেট নিয়ে আসব।
জান্নাত- ওকে। আর চকলেট না আনলে বাসায় ঢুকতে দিব না কিন্তু??
আমি- ওকে মহারানি। বলেই বাসার দরজা বাইরে থেকে আটকে চলে এলাম। মনটা খারাপ হয়ে গেল। আসলে জান্নাত কে এই অল্প সময়েই খুব ভালোবাসে ফেলেছি। আমি কাজে এসে কাজ করতে লাগলাম। এইভাবে রাত ৮ টা বেজে গেল। মানে টাইম শেষ। (কিছু দিন আগে থেকে কাজ ৮ পর্যন্ত করা হয়েছে)
আমি আর কিছু না ভেবে বেরিয়ে টিউশন করতে গেলাম। দুটো টিউশন করে বাসায় আসতে রাত ১০.৩০ বেজে গেল। আসার সময় চকলেট নিয়ে এসেছি।
দরজা খুলে রুমে ঢুকলাম। গিয়ে দেখি মহারানি টিভি দেখে। আমায় দেখেই জরিয়ে ধরল। আর আমি খুশী হয়ে চকলেট গুলো দিয়ে দিলাম। (দেখে মনে হয় হাজার বছরের সম্পর্ক।)
আমি- আমার আপু খুশী তো??
জান্নাত- হুম। খুব খুশী।
আমি- ভাত খেয়েছে আপু??
জান্নাত- নাহ
আমি- কেন??
জান্নাত- আমি আমার ভাইয়ার হাতে ছারা খাই না।
আমি- ওহ এই ব্যাপার।
এরপর আর কিছু না বলে আমার দুজনে খেয়ে নিলাম। রাতে আবার আগের দিনের মতো ঘুমিয়ে গেলাম।
এইভাবে চলছিল আমাদের দিন কাল।
হটাৎ একদিন বাপ্পি কল করে যা বলল আমি তা শুনে তো ১০০ বোল্টের শক খেলাম........
চলবে...

Related Posts

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad